• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » রাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেই নদীগুলো বেদখল হয়েছে, বললেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী


রাষ্ট্র কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলেই নদীগুলো বেদখল হয়েছে, বললেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 07/07/2019

আনিস তপন : নদী তীর পুনর্দখলরোধে নদীর তীরভূমিতে সীমানা পিলার স্থাপন, ওয়াকওয়ে, কিওয়াল, ওয়াকওয়ে অন পাইলসহ দখলমুক্ত অংশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশগত উন্নয়ন, ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা)  নির্মাণ প্রকল্পের  কাজ শুরু হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআই ডবিøউটিএ) এ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। গতকাল ঢাকার কামরাঙ্গিচরের খোলামোড়া ঘাটে কাজের উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এম.পি এবং নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্মুদ চৌধুরী এমপি।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য হাজী মোঃ সেলিম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আবদুস সামাদ, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও পরিবেশবিদ সৈয়দ আবুল মকসুদ,বিআইডবিøউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর এম মাবুবব উল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন কালে স্বারাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সকল নদী দখলমুক্ত করে বাংলাদেশের নদীমাতৃক রূপে তুলে ধরা হবে।তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নদী তীর পুনর্দখলের চেষ্টা করবেন না। দখল করার চেষ্টা করলে ভুল করবেন। দখলকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশে সার্কুলার  নৌপথ চালু করে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন সহজতর করা হবে। বুড়িগঙ্গাকে হাতিরঝিলের ন্যায় নয়নাভিরাম করা হবে, বছর খানেকের মধ্যে এ দৃশ্য দেখা যাবে। বুড়িগঙ্গা হবে আনন্দ ও বিনোদনের কেন্দ্র।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করে মানুষের ব্যবহার উপযোগি করতে চাই। মানুষের জীবিকার জন্য নদী ব্যবহৃত হবে-আমরা সেরকম পরিবেশ গড়ে তুলব। তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকার কাজ করছে। এক্ষেত্রে কেউ হস্তক্ষেপ করলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্র কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে নদীগুলো বেদখল হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর তৎকালীন সরকারগুলো শুধু নদী দখল করেনি, তারা আমাদের পরিচয়ও বেদখল করার চেষ্টা করেছে। নদী আমাদের ঠিকানা; সে ঠিকানাও পরিবর্তনের চেষ্টা করেছে।

উল্লেখ্য, বিআইডবিøউটিএ প্রকল্পের আওতায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীর তীরভূমিতে সীমানা পিলার স্থাপন, ওয়াকওয়ে, কিওয়ালসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করবে। নদীর তীরভূমিতে ৫২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ, নদীর তীরভূমিতে পাইলের ওপর ১২ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, ১০,৮২০ টি সীমানা পিলার স্থাপন, তিনটি ইকোপার্ক নির্মাণ,  দু’টি পর্যটন বান্ধব দৃষ্টিনন্দন পার্ক, ১৯টি আরসিসি জেটি, ১০০টি আরসিসি সিঁড়ি, ৪০ কিলোমিটার নদীর তীর রক্ষা (কিওয়াল) সহ আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ করা হবে।এজন্য প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৪৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। ২০১৮ সালের জুলাই হতে ২০২২ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। সম্পাদনা:সমর চক্রবর্তী\

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]