• প্রচ্ছদ » » আমাদের আয় বেড়েছে আশাতীত, দুর্নীতি কমেনি


আমাদের আয় বেড়েছে আশাতীত, দুর্নীতি কমেনি

আমাদের নতুন সময় : 08/07/2019

নন্দিতা চক্রবর্তী

দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এই দুটি শব্দ আমাদের যেভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে তাতে দূরবর্তী ভবিষ্যতেও এর থেকে মুক্তির বিন্দুমাত্র সম্ভাবনাও নেই। একটি সমাজে বা দেশে পথপ্রদর্শক কিছু শক্তি থাকে, থাকে পেশাগত কিছু দিকনির্দেশক, থাকে নেতৃত্বদানকারী কিছু সূচক। আমরা এমনই দুর্ভাগা জাতি আমাদের তেমন কেউ নেই বর্তমানে। না রাজনীতিবিদ, না ধর্মীয় নেতা না সমাজ সংস্কারক। বর্তমানে শতকরা হারেও একজন সৎ মানুষ, একজন আদর্শ মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। হাজারেও নয়। শতভাগ পারফেক্ট কোনো মানুষ নয়। কিন্তু অর্ধশতভাগ তো আশা করা অন্যায় নয়। আমাদের আয় বেড়েছে আশাতীত। দুর্নীতি কমেনি। আমাদের ধর্মচর্চা বেড়েছে হাজার গুণ। কিন্তু ধর্মীয় নেতাদের চারিত্রিক, নৈতিক অবনমন দেখলে মাথা হেঁট হয়ে যায়। ক্ষমতার বিন্দুমাত্র স্বাদ পেলে আমরা দানব হয়ে যাচ্ছি। ভুলে যাচ্ছি চেয়ারটার মেয়াদ দু’দিন পরই শেষ হয়ে যাবে। যে পারছে সে তো পারছেই আর যে পারছে না সে সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
ব্যবসায়ীদের কথাই বা কি বলি! ব্যাংক ঋণের অর্থ লোপাট, ভেজাল, আয়কর ফাঁকি কি করে না তারা? কোনো ব্যক্তি, কোনো নৈতিক শিক্ষা আমাদের পরিবর্তন করতে পারছে না। অথচ এমন হওয়ার কথা ছিলো না। আমাদের পূর্ব দৃষ্টান্ত তো আছেই। রাজনীতিক যারা তারা বঙ্গবন্ধুর নাম বেঁচে দাপট দেখান অথচ তার দেখানো পথকে অপ্রয়োজনীয় মনে করেন। সবচেয়ে বেশি যারা নেতৃত্ব দিতে পারতেন তারা ধর্মীয় নেতা। এদেশের মানুষ ধর্মভীরু। পাপ-পুণ্য একটু বেশিই বিচার করে। অন্ধ করে রাখে। ধর্মীয় নেতাদের কথা, তাদের দেখানো পথ মুক্তির আলো নিয়ে আসতে পারতো যদি তারা অন্ধত্বের চর্চা না করতো। তাদের কথা মানুষ বিনা দ্বিধায় মেনে নিতো। অথচ তারা কোন ভ‚মিকায় আছে ভাবতেও লজ্জা লাগে। শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধা পর্যন্ত, বালকগুলোও নিরাপদ নয় তাদের কাছে। আলো কই আমাদের, আমাদের সন্তান, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]