• প্রচ্ছদ » » ‘ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছে সুন্দরবন!’


‘ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছে সুন্দরবন!’

আমাদের নতুন সময় : 08/07/2019

কামরুল হাসান মামুন

‘ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছে সুন্দরবন!’ ইউনেস্কো ২০১৯ সালে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় আসা মনোনীত স্থানগুলোর নাম ঘোষণা করলো আর একইসঙ্গে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় থাকা কয়েকটি বিপদাপন্ন জায়গার নাম চিহ্নিত হরেছে। এর মধ্যে প্রথমেই আছে আমাদের বাংলাদেশের সুন্দরবন। এ কারণে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মারহাবা! মারহাবা! মারহাবা! আমার মনে হচ্ছে খুব পরিকল্পনা করে আমাদের গর্ব বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে মেরে ফেলা হচ্ছে। নাহলে কেন এর পাশেই কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করতে হবে? কেন এর চারপাশে পাঁচ সিমেন্ট কারখানা করার ছাড়পত্র দেয়া হবে? ইতোমধ্যেই এর চারপাশে আরো অনেক শিল্প কারখানা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে! জার্মানি ২০১৯ সালে ঘোষণা দেয় যে, তাদের যে ৮৪টি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প আছে তার সবগুলোকেই বন্ধ করে দেয়া হবে। ওগুলো কিন্তু এ রকম বিশ্ব ঐতিহ্যের পাশে নয়, কিন্তু তারপরও বন্ধ করে দিচ্ছে কারণ এগুলো পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আর আমাদেরটা তো সুন্দরবনের পাশে। কেমনে পারি? একটি সুন্দরবন কি ইচ্ছা করলেই সৃষ্টি করা যাবে? যেই ক্ষতি রৎৎবাবৎংরনষব সেটার রিস্ক একটি সভ্য দেশ কীভাবে নিতে পারে? জার্মানি আমাদের মতো ঘনবসতিপূর্ণ নয়। তাদের জায়গারও অভাব নেই তারপরও নতুন করে কোনো কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র তো বানাচ্ছেই না উল্টো যেগুলো আছে সেগুলোকেও বন্ধ করে দিচ্ছে। কি পরিমাণ ক্ষতিকর বলে এ রকম সিদ্ধান্ত তারা নিচ্ছে? শুধুই কি তা?
২০১১ সালে জাপানের ফুকুশিমা নিউক্লিয়ার অ্যাক্সিডেন্ট হওয়ার পর জার্মানি তার মোট ১৭টি রিয়েক্টরের মধ্যে ৮টিই ইতোমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে এবং ঘোষণা করেছে বাকিগুলোকেও ক্রমান্বয়ে বন্ধ করে দেয়া হবে। মানুষের জীবনের রিস্ক ও পরিবেশের রিস্ককে তারা কতো গুরুত্ব দেয় ভাবা যায়? আর আমরা যারা মানুষের জীবনের রিস্ককে কোনো গুরুত্ব দেয়ার সংস্কৃতিই নেই তারা এখন পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প করছি তাও আবার অন্যের কাছ থেকে ঋণের টাকায়, অন্যের কারিগরি উপদেশে। টহনবষরবাধনষব!
ণবং, আমাদের বিদ্যুৎ প্রয়োজন। ণবং উন্নয়নের জন্য এর বিকল্প নেই। কিন্তু কিসের বিনিময়ে? এই প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য এনাফ গবেষণা করে তারপর কি আমরা সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি? সুন্দরবনের মতো একটি অতুলনীয় অভাবনীয় সম্পদ আজ ধ্বংসের পথে। তারপরও সরকারি দল করে এমন কোনো বুদ্ধিজীবীকে এ নিয়ে কথা বলতে দেখি না। এটা বড়ই পীড়াদায়ক। অথচ উনারা বললে বরং কাজ হতো বেশি। তারা দল এবং নিজের লাভকে দেশের উপরে স্থান যে দেন এসব তারই প্রমাণ। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]