• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » তিস্তার পানি বণ্টন সমঝোতা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু ভৌগলিক বা প্রাকৃতিক সংকট না, বলছেন বিশ্লেষকরা


তিস্তার পানি বণ্টন সমঝোতা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু ভৌগলিক বা প্রাকৃতিক সংকট না, বলছেন বিশ্লেষকরা

আমাদের নতুন সময় : 08/07/2019

তাপসী রাবেয়া : নদী ও পানি বিশেষজ্ঞ ড.আইনুন নিশাত বলেছেন, তিস্তা নদীর পানি বণ্টন সমঝোতা না হওয়া সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু । ভৌগলিক বা প্রাকৃতিক কোনো সংকট না । এখানে প্রাকৃতিক বা ভৌগলিক ব্যাখ্যাও গ্রহনযোগ্য নয়। তিস্তা সংকটকে তিনি টেকনিক্যাল সমস্যা বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের হাল ছাড়লে চলবে না, কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৃষ্টিপাত কমে যাচ্ছে, আমাদের তিস্তার পানি ছাড়া চলবে না। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে একত্রিত করে তিস্তার পানির জন্য আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে।
কূটনৈতিক ওয়ালিউর রহমান বলেন, ভারতের সঙ্গে যৌথ নদী কমিশনের শর্তগুলো নিয়ে আবারও আলোচনায় বসা যেতে পারে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশের সংকট মমতা ব্যানার্জীকে বুঝতে হবে। এটা সময়ের ব্যাপার। তাই হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই।
বর্ষায় উপচে পড়া পানিতে তিস্তার চরের মানুষের গৃহহীন হওয়া আর শুষ্ক মৌসুমে মরূভূমি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মেহেদী হাসান জানান, দেশের নদ-নদী গুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়সহ নদীতে পানি প্রবাহের দেখভাল করে বাংলাদেশ জয়েন্ট রিভার কমিশন। নদীতে পানি প্রবাহের তদারকি বোর্ডেরও কাজ নয়।
সমগ্র উত্তরবঙ্গের পানি সংকট নিরসনে বাংলাদেশ সরকার ২০০৭ সালে সেপ্টেম্বরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পানি বণ্টন চুক্তি হওয়ার কথা থাকলেও পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর অনীহার কারণে তা আর আলোর মুখ দেখেনি ।
পানি বণ্টন চুক্তির খসড়া প্রস্তাবে বলা হয়েছিলো, তিস্তার পানি ৩৬ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ আর ৩৯ শতাংশ পাবে ভারত। বাকি ২০ শতাংশ পানি নদী সংরক্ষণের জন্য রাখা হবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]