• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল করে ধর্ষককে শাস্তি দিতে হবে , বললেন মাহফুজা জেসমিন


দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল করে ধর্ষককে শাস্তি দিতে হবে , বললেন মাহফুজা জেসমিন

আমাদের নতুন সময় : 08/07/2019

ইয়াসমিন : শিশু বিষয়ক সাংবাদিক নেটওয়ার্কের সভাপতি মাহফুজা জেসমিন বলেন, সমাজ এগিয়েছে! রাষ্ট্রও এগিয়েছে! যথাযোগ্য আইন আছে। তবুও ধর্ষণ, যৌন হয়রানি এবং নারী শিশু নির্যাতন বন্ধ হয়নি! বরং এটি একটি সামাজিক ব্যাধিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সাত মাসের শিশুও রেহাই পাচ্ছে না এই ঘৃণ্য লালসার হাত থেকে। এই মহামারী থেকে সমাজকে বাঁচাতে হলে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ধর্ষকের শাস্তি কার্যকর করতে হবে। আমি মনে করি, ধর্ষণ এর ফলে ধর্ষিত ব্যক্তির মৃত্যু হোক বা না হোক, ধর্ষণকারীর শাস্তি মৃত্যুদÐই হওয়া উচিত এক্ষেত্রে আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তিন মাসের বেশি না হলে সবচেয়ে ভালো।
আমাদের দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ আছে। এই আইনের ৯ নং ধারার ১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদÐ এবং অর্থদÐ। এবং ৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ধর্ষণ এর কারণে ধর্ষিত ব্যক্তির মৃত্যু হলে তার শাস্তি মৃত্যুদÐ। এই যাবজ্জীবন কারাদÐের মেয়াদ ৩০ বছর। এই বছর ধরা হয় ১০ মাসে। ফলে এখানেই ৫ বছর কমে যায়। এরপর আছে আইনের নানান কৌশল। আছে প্রভাবশালীদের প্রভাব। সব মিলিয়ে নির্ধারিত সাজার পরিমাণ কমে যায়। কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে তারা পুনরায় ধর্ষিত ব্যক্তি ও তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি করে। প্রতিশোধ নেয়। এসব কিছুই ঘটে সমাজের চোখের সামনে।
স¤প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আলবামা অঙ্গরাজ্যে ধর্ষণ প্রতিরোধে নতুন আইন পাস হয়েছে। এতে ধর্ষকের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদÐ অথবা ইনজেকশন দিয়ে নপুংশক করে দেয়ার বিধান দেয়া হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এটি যথোপযুক্ত শাস্তি মনে হয়। কিন্তু আমাদের দেশে কোনো পুরুষকে নপুংশক করে দিলে সে যে সমাজে মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে উঠবে এটি বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]