• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির প্রতি ক্ষোভ ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বের সমালোচনা


ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কাদের সিদ্দিকী, বিএনপির প্রতি ক্ষোভ ও ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বের সমালোচনা

আমাদের নতুন সময় : 09/07/2019

শিমুল মাহমুদ : জোটভুক্ত হওয়ার আট মাসের মাথায় নেতৃত্ব দানে অনীহা, নীতিমালা পরিপন্থী কর্মকা-, জামায়াতের সম্পৃক্ততা, নির্বাচন প্রত্যাখানের পর শপথ গ্রহণ ও সর্বোপরি  ফ্রন্টের নিষ্ক্রিয়তা কারণ দেখিয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। গতকাল সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলন এ ঘোষণাা দেন তিনি ।

কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমরা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক হয়েছিলাম, বিএনপি’র নেতৃত্বে নয়। কিন্তু ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বদানে অনীহা ঐক্যফ্রন্টকে কখনো সুদৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে দেয়নি। নির্বাচন পরবর্তী সাত মাস জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব বা ঠিকানা খোঁজার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে জনগণের সকল সমস্যায় তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার এ জাতীয় শ্রমিক জনতা লীগ নতুন উদ্যমে পথ চলা শুরু করেছে। আমরা সব সময়ই দেশবাসীর বিশ্বস্ত থাকার চেষ্টা করেছি, ভবিষ্যতে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

কাদের বলেন,  নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই এবং মনোনয়ন দেয়ার কথা ফ্রন্টগত ভাবে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ও কর্তৃত্বে। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি। নির্বাচনী প্রহসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই সবই হয়েছে বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের গুলশান দপ্তর থেকে বিএনপির কর্তৃত্ব ও নেতৃত্বে। যেটা ছিল ঐক্যফ্রন্ট গঠনে প্রাথমিক নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

ফ্রন্টের কোনমতেই জামায়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকা বা হবার কথা ছিলো না। কিন্তু স্বনামে বা বেনামে যেভাবেই হোক চিহ্নিত ২০-২৫ জন জামায়াত নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছিলো। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]