অধ্যক্ষ সিরাজকে দেখে আদালতে জ্ঞান হারালেন নুসরাতের মা

আমাদের নতুন সময় : 11/07/2019

এমরান পাটোয়ারী : ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে  পুড়িয়ে হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষ্য ও জেরা চলাকালে বরখাস্ত অধ্যক্ষ সিরাজকে দেখেই জ্ঞান হারিয়েছেন নুসরাতের মা শিরিন আক্তার।

গতকাল বুধবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ও আইনজীবি এম শাহজাহান সাজু ফেনী ন্যাশানাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করান।

গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা থেকে আদালতে নুসরাতের মা শিরিন আক্তারের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছিলো। এসময় বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। আদালতের এজলাসে মাদ্রাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ সিরাজসহ অপর আসামিদের দেখেই চিৎকার করে কেঁদে উঠে বেলা আড়াইটার দিকে আদালতের এজলাসেই জ্ঞান হারান শিরিন আক্তার।

গতকাল বুধবার সকালে মামলায় হাজিরার জন্য সকাল ১১টার দিকে ১৬ আসামিকে ফেনী কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। চাঞ্চল্যকর এ মামলার শুনানি উপলক্ষে আদালত ঘিরে ছিল কঠোর নিরাপত্তা। আদালত ভবন এবং বিচার কক্ষে প্রবেশে পূর্বের ন্যায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়।

গত ২৭ জুন থেকে মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে নুসরাতের সহপাঠি নিশাত সুলতানা ও সহপাঠী নাসরিন সুলতানা, মাদ্রাসার পিয়ন নুরুল আমিন নৈশপ্রহরী মো. মোস্তফা, কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন, বোরকা দোকানদার জসিম উদ্দিন ও দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিনই এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রে গেলে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে সিরাজ উদ্দৌলার সহযোগীরা নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে ১০ এপ্রিল মারা যান তিনি। সম্পাদনা: আবদুল্লাহ

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]