রাজধানীতে বাড়ছে জনচাপ, নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেই

আমাদের নতুন সময় : 11/07/2019

দেবদুলাল মুন্না : আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। বিশ্বায়নে জনসংখ্যা-চ্যালেঞ্জ ও পরিকল্পিত পরিবারের সুবিধাসমূহের ব্যাপারে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবসটি পালনের লক্ষ্য। বছরের পর বছর উল্লেখযোগ্য হারে রাজধানীর জনসংখ্যা বাড়তে থাকলেও সমস্যাটি তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না সরকারি নীতিনির্ধারণে। জাতীয় জনসংখ্যা কাউন্সিলের কার্যক্রম না থাকায় রাজধানীর জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নেই কোনো উদ্যোগ। এ জন্য সময়োপযোগী জনসংখ্যা নীতি তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বব্যাংকের হিসেবে, ঢাকা এখন ১ কোটি ৮০ লাখ বাসিন্দা নিয়ে বিশ্বের ১১ নম্বর মেগাসিটি। প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক সকল কাজের কেন্দ্রবিন্দু হওয়ায় কর্মসংস্থানের আশায় প্রতিদিনই রাজধানীতে পাড়ি জমান দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী স্বাধীনতার পরবর্তী দশ বছরে রাজধানীতে জনসংখ্যা বাড়ে ২২ লাখের বেশি। ১৯৮১ থেকে ৯১ সাল পর্যন্ত বেড়েছে প্রায় ২৮ লাখ। আবার ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত বেড়েছে সাড়ে ১৫ লাখ মানুষ। এরপর ২০০১ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত লোকসংখ্যা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৯’শ ৪১ জন। রাজধানী থেকে জনসংখ্যার ঊর্ধ্বমূখী  চাপকে সামাল দিতে হলে প্রয়োজন প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ। কিন্তু সেটি করা হয়নি। ফলে আবাসন পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করছে বলে মনে করেন জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম বলেন, ‘জনসংখ্যার উপাদানগত যে বিশ্লেষণ তার ভিত্তিতেই জনসংখ্যার নীতি হালনাগাদ করার প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তবে, ন্যাশনাল পপুলেশন কাউন্সিল নামে যে কাউন্সিল রয়েছে তার কার্যক্রমে স্থবিরতা রয়েছে। এছাড়া, রাজধানীতে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো গেলে বাড়তি জনসংখ্যাও অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারবে। কিন্তু সেক্ষেত্রে কোনো উদ্যোগ নেইবলে মনে করেন তিনি। জাতীয় পপুলেশন কাউন্সিলের সদস্য আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘উপার্জনশীল কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারলে অবশ্যই ভালো, কিন্তু ঢাকা শহরে এখন উপার্জনশীল পদক্ষেপ নেয়া যাবে না। কারণ ঢাকা শহরের যে অবস্থা তাতে আর দুইটা কারখানা বসাতে গেলেও ভাবতে হয়।’ সম্পাদনা : ওমর ফারুক




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]