• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » রামপাল বিদুৎকেন্দ্র দ্বারা সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না, বললেন তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী


রামপাল বিদুৎকেন্দ্র দ্বারা সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না, বললেন তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী

আমাদের নতুন সময় : 11/07/2019

স্বপ্না চক্রবর্তী : রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সুন্দরবনের জন্য কখনই হুমকির কারণ হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী জানিয়েছেন, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ চলবে। কৌশলগত সমীক্ষার পরে যদি কোনো সুপারিশ পাওয়া যায় তবে সেটি সরকার বাস্তবায়ন করবে। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সুন্দরবন নিয়ে ইউনেস্কোর প্রতিবেদন নিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ সময় বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহম্মদ হোসেইন উপস্থিত ছিলেন। এসময় উপদেষ্টা বলেন, আগামী আড়াই বছরের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে। সুন্দরবন নিয়ে ইউনেস্কোর দাবির প্রেক্ষিতে সরকার এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি দলকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানানো হবে। প্যারিসে অনুষ্ঠিত সবশেষ মিটিং এ বাংলাদেশের ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। এরমধ্যে পরিবেশ, পানি, বিদ্যুৎ, পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতের বিশেষজ্ঞরা ছিলেন। আগে ইউনেস্কো রামপালের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে আসছিলো। এবার তারা পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। আমরা তাদের মানচিত্রে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান দেখিয়ে দেখিয়েছি, পায়রা কোথায় আর সুন্দরবন কোথায়। তাদের আমরা বলেছি, আর একটু দূরে গেলে তো ঢাকাই চলে যেতে পারতে।

উপদেষ্টা বলেন, ২১টি দেশের মধ্যে ১৬টি দেশ বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে। এ সময় একটি কাজের খসড়া করা হয়। তাতে প্রথমে আমরা সায় দেই নাই। কিন্তু পরে চূড়ান্তটায় সায় দিয়েছি। সেখানে আমাদের সাতটি কাজের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিদ্যুৎ সচিব দূষণের বিষয়ে বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো থেকে যে কার্বন নিঃসরণ হয় তা নিয়ন্ত্রণের আধুনিক কোনো প্রযুক্তি এখনো হয়নি। আমরাও কার্বন নিঃসরন করি। গাছ তা টেনে নেয়। অন্যদিকে কেন্দ্র থেকে নিঃসরিত সালফার ডাই অক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড নিয়ন্ত্রণে এফজিডি বসানো হচ্ছে। এতে ৯৯.৯৯ ভাগ ফ্লু গ্যাস নিঃসরণ কমানো সম্ভব। ছাই ধরতে এ্যাসক্যাচার ব্যবহার করা হবে। ছাই বাতাসে বা নদীর পানিতে মিশবে না। আর বাকি থাকে পানি। পানি পুনঃ ব্যবহারের জন্য পরিশোধন করা হবে। এই পানি এতোটাই নিরাপদ যে এটি পানের যোগ্য। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

 

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]