• প্রচ্ছদ » » ক্রিকেটকে খেলা হিসেবে না দেখে যারা নিতান্তই যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন, তাদের জন্য সমবেদনা


ক্রিকেটকে খেলা হিসেবে না দেখে যারা নিতান্তই যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন, তাদের জন্য সমবেদনা

আমাদের নতুন সময় : 13/07/2019

সুলতান মির্জা

মাথায় রাখতে হবে শুধু ভারতবিরোধিতা করে এদেশে বিএনপি-জামায়াত নামের দুইটা রাজনৈতিক দল যুগের পর যুগ রাজনীতির নামে অপরাজনীতি করে যাচ্ছে। আজব আর গুজবে ভরপুর তাদের অপরাজনৈতিক কর্মকাÐ। এমনকি এই তো সদ্য পদ্মা সেতুতে মাথা লাগানোর গুজব এটাও যারা উৎপাদন, বাজারজারজাতকরণসহ প্রচার করছে তারা সরাসরি ভারতবিরোধী হিসেবেই পরিচিত। কাজেই ভারতবিরোধী কারা এটা বোঝার জন্য বড় ধরনের বিশ্লেষক হওয়ার দরকার নেই।
ক্রিকেটকে খেলা হিসেবে না দেখে যারা নিতান্তই যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন তাদের জন্য সমবেদনা। তবে হ্যাঁ খেলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাবেন না শব্দটা একদম নি¤œমানের রুচিহীন স্টুপিড বাক্য। ক্রিকেটকে অবশ্যই খেলা হিসেবে দেখেই ক্রিকেটের সঙ্গেও রাজনীতি মেলাতে হবে। ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশ ভারতের নিকট প্রতিবেশী। রয়েছে যুগ যুগের আত্মার বন্ধন। ভারতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় কে আসলো আর কে গেলো সেটা নিয়ে বা ধরে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খারাপ হবে বিষয়টা এমন নয়। তবে বৃহত্তম প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের অবশ্যই জানার ও বোঝার অধিকার আছে ক্ষুদ্র এই প্রতিবেশী (বাংলাদেশ) রাষ্ট্রের ক্ষমতায় বাংলাদেশ বিরোধী কোনো শক্তি ক্ষমতায় আসছে কিনা। ভারত সেই কাজটাই করছে। আর তাই ভারতবিরোধী শক্তি মানেই বাংলাদেশের জন্মের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে না তারাই। এবার মূল বিষয়ে বলছি, আধুনিক ক্রিকেটে খেলার পাশাপাশি বাণিজ্যিক দিকটাও বেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়। আর সেই হিসেবে ভারত হলো ক্রিকেট বিশ্বের এক নম্বর বৃহত্তম বাজারের দেশ। সেজন্য ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থায় ভারতের দাপট আছেই। মনে রাখতে হবে ভারতের জায়গায় বাংলাদেশ হতে পারতো, পাকিস্তানও হতে পারতো। যেহেতু হয়নি আর তাই ভারতের এই দাপট মেনে নিতেই হবে।
আজকে ভারত খেলায় হেরেছে বলে একশ্রেণির বাঙাল নামধারী যেসব ভাষায় ভারতকে আক্রমণ করছে এটা খুবই লজ্জাজনক। কারণ এই টাইপের শব্দগুলো স্বীকৃত সাউথ এশিয়াতে কেবল পাকিস্তানিরাই করে থাকে। যদিও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম ও সেদেশের রাজনীতিও টিকে শুধুই ভারতবিরোধিতার পুঁজি করে। কাজেই বাংলাদেশে বসে যারা গতকাল থেকে ভারতবিরোধিতার বগল বাজিয়েই চলেছে তাদের জন্ম পরিচয়, রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনা সব কিছুই যে পাকিস্তানের চিন্তা ও দর্শনের সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ রাখা উচিত নয়।
ভারতের সরকারি হিসেবে প্রতিবছর বিদেশি যেসব রাষ্ট্রের মানুষ ভারতে যায় শাড়ি, চুড়ি, ওষুধ, আইপিএল, ঘোরাফেরা করতে তার এক নম্বর তালিকায় হলো বাংলাদেশের নাম। খোঁজ নিয়ে দেখেন ১০ জুলাই থেকে ভারতবিরোধিতা করে বাংলাদেশের যেই কুলাঙ্গারটা সবচেয়ে বেশি বিপ্লব করে ফেসবুক ভাসিয়েছে সেও বছরে দু-একবার ভারত ভ্রমণ করে শাড়ি, রুটি, কম্বল, ওষুধ কিনে জীবন বাঁচায়। তাই বলছিলাম আর কি, বাংলাদেশের পাকিস্তানপন্থি এই গোষ্ঠীটা যতো ইচ্ছা ততো ভারতবিরোধিতা করুক করতে থাকুক। শুধু ভারতের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে শকড তৈরি করে দিতে পারে যে তাদের দেশ ভারতের ভিসা পেতে হলে বাংলাদেশিদের লাস্ট তিন বছরের ফেসবুক অ্যাক্টিভিটি জমা দিতে হবে। তখন বাংলাদেশে থাকা এই পাকিস্তানিরা কীভাবে ভালো হয়ে যায় টেরই পাবেন না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]