• প্রচ্ছদ » » ঢাবি ক্যাম্পাস : এই আমার সেই কলাভবন?


ঢাবি ক্যাম্পাস : এই আমার সেই কলাভবন?

আমাদের নতুন সময় : 13/07/2019

মুনমুন শারমিন শামস

আজকাল ঢাবি ক্যাম্পাসে গেলে মনে হয় একটা উন্মত্ত ভাগাড়ের ভেতরে ঢুকে গেলাম। সেন্ট্রাল লাইব্রেরির গেট থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের মল চত্বর, নাটমÐলের সামনে পুরা এলাকাজুড়ে শুধু খাবারের দোকান। রকমারি খাবার। অবাক হয়ে ভাবী, এতো খিদেও পায় আজকাল ছাত্রছাত্রীদের! এতো ধরনের খাবারের দোকান লাগে তাদের? নাকি ক্যাম্পাসে এসে যে কেউ খাবার দোকানের ব্যবসা করতে পারে? খাবার দোকান ঠিক যে হারে তার চেয়ে তিনগুণ হারে ময়লা। এতো নোংরা ক্যাম্পাস আমি জানি না, আপনাদের কারও কী মনে হয়! কিন্তু যে কয়দিন ক্যাম্পাসে গেছি, তীব্র বিষণœœতাবোধ নিয়ে ফিরে এসেছি। এই আমার সেই কলাভবন? এই সেই মল চত্বর? এই সেই লাইব্রেরি চত্বর? পুরো এলাকাজুড়ে কাগজ, কোকের ক্যান, কাপ, খাবারের প্লেট, খাবারের টুকরো, চায়ের কাপ… কিনা পড়ে নেই? মনে হচ্ছিলো পুরা এলাকাটা একটা আস্ত ডাস্টবিন! কোথায় বসবো? না কোথাও এতোটুকু পরিষ্কার জায়গা নেই।
হাকিম চত্বরের এ মাথা থেকে ওই মাথা কতোগুলো ফেরিওয়ালা যে আছে এবং তারা রীতিমতো জোরে জোরে গান বাজনা বাজিয়ে চানাচুর মুড়ি এসব বিক্রি করছে। শব্দের তাÐবে পাশেরজন কি কথা বলছে বোঝা যায় না। কী অদ্ভুত ব্যাপার! এইটা একটা ক্যাম্পাস? টিএসসির চায়ের দোকানগুলোর পাশ দিয়ে যে নালা, সেগুলোর দিকে তাকালে বমি আসে। সবাই চায়ের কাপ, প্লেট, খাবার ফেলছে। এতো নোংরা! এতো বেশি। যতোবার ক্যাম্পাসে যাই, বিষণœ মন নিয়ে ফিরি। এই নোংরা দূষিত ক্যাম্পাস তো আমরা আগে দেখিনি! আমাদের সেই সবুজ ছিমছাম মিষ্টি সতেজ ক্যাম্পাস কোথায় হারিয়ে গেলো। একদিকে মেট্রোরেলের চাপে দমবন্ধ করা ক্যাম্পাসের পথঘাট, অসংখ্য ছাত্রীর মাথায় বটগাছের মতো হিজাবের বহর দেখে এমনিতেই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকি! তার উপর এই নোংরা অপরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাসের রূপ দেখে চ‚ড়ান্ত হতাশ লাগে। মন খারাপ হয়। জানি না এখন কি পরিমাণ আক্রমণের শিকার হতে হবে। তবু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে এটুকু বলার অধিকার নিশ্চয়ই আমার আছে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]