• প্রচ্ছদ » » এ পৃথিবীতে কেউ চিরশত্রæ নয়, কেউ চির মিত্রও নয়!


এ পৃথিবীতে কেউ চিরশত্রæ নয়, কেউ চির মিত্রও নয়!

আমাদের নতুন সময় : 14/07/2019

সিদ্দিক মাহমুদ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির চ্যান্সেলার হিটলারের নির্দেশে হাজার হাজার জার্মান সৈনিক ইহুদিদের নিশ্চিহ্ন করতে উন্মত্ত হয়েছিলো, কিন্তু আজ জার্মানি আর ইসরাইল পরম বন্ধু। ৪০, ৫০, ৬০-এর দশকে আমেরিকা আর রাশিয়া ছিলো ‘ভয়াবহ শত্রæ’, যেকোনো মুহূর্তে পরমাণবিক যুদ্ধ বাধার সমূহ সম্ভাবনা ছিলো, আর আজ আমেরিকা আর রাশিয়া পরম বন্ধু না হলেও তাদের মধ্যে ‘ভয়াবহ শত্রæতা আর নেই’। বিশ শতকে ব্রিটেনে হাজার হাজার বই লেখা হয়েছে জার্মানিকে ‘শত্রæ’ দেখিয়ে, আজ জার্মানি ব্রিটেনের বন্ধু। ১৪শ, ১৫শ, ১৬শ শতকে ফ্রান্স ছিলো ব্রিটেনের ‘প্রবল শত্রæ’, আজ তারা ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ থেকে জাহাজ ভরে ইহুদি এসে ফিলিস্তিনের সাগর সীমান্তে এসে করজোড়ে ফিলিস্তিনের নাগরিকের কাছে আশ্রয় চেয়েছিলো একটু আশ্রয়ের, একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই! দয়াপরবস হিয়ে ফিলিস্তিনিরা সেই আবেদন রক্ষা করেছিলো, আজ শিশু, কিশোর, যুব ফিলিস্তিনিদের বুক গুলিতে ঝাঝরা করছে ইহুদিরা। ৬০০ অব্দ থেকে ১৫০০ অব্দ পর্যন্ত ভারতে বহুবার ঘটেছে। অত্যাচারী শাসকের হাত থেকে বাঁচার জন্য ভারতীয়রা ছুটে গেছে পাশের/দূরের রাজ্যের মুসলমান শাসকের কাছে। সেই রাজা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে অত্যাচারী শাসকদের পরাজিত করে দেশে শান্তি নিয়ে এসেছিলো, অথচ ১৭৫৭তে, ১৮৫৭তে মুসলমান শাসককে বিতাড়িত করতে বিদেশি বেনিয়াদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলো এদেশের নাগরিক, প্রতারণা করে পিঠে ছুরি বসিয়ে দিয়েছিলো এদেশেরই বণিক, ব্যবসায়ী, সৈনিক। আজ ও দেশে দুর্বল, দরিদ্র মুসলিম জনগোষ্ঠীকে পুড়িয়ে মারছে, পিটিয়ে মারছে, গুলি করে মারছে ও দেশের জনগণ, সরকার! শেষ কথা, এ পৃথিবীতে কেউ চির শত্রæ নয়, কেউ চির মিত্রও নয়! ১৯৭১-এ বাংলাদেশের জনগণ বুকে জড়িয়ে ধরেছিলো ভারতের সেনাদের, সেই ভারতের সেনা সদস্য সীমান্তে রোজ গুলি করে মারছে দরিদ্র মানুষদের! আজ কেন এদেশের শতসহ¯্র মানুষ ঘৃণা করে প্রতিবেশীকে? কেন এই ঘৃণা? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]