ডিম, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার সাথে এবার বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম

আমাদের নতুন সময় : 14/07/2019

রমজান আলী : গত কয়েক সপ্তাহে ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে  ডিম, আদা, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন মসলার দাম। এ সপ্তাহে আবার বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা। গতকাল রাজধানীর কারওয়ানবাজার ও বসুন্ধরা বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। দোকানিরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে মজুদ সংকটের পাশাপাশি আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে রাজধানীতে মরিচের সরবরাহ কমেছে। এ কারণে মরিচ বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুন দামে।

কারওয়ান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ডিম, পেঁয়াজ, রসুন ও আদার কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। চায়না রসুন কেজি প্রতি ১৬০ টাকা, দেশি রসুন কেজি প্রতি ১২০ টাকা, আদা কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ কেজি ৪০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা।

এছাড়া বেড়েছে কিছু সবজির দামও।  শশা ১০ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা, কুমড়া ১০ টাকা বেড়ে কেজি ৩০ টাকা, পটল ১০ টাকা বেড়ে ৪০ টাকা, বেগুন কেজি প্রতি ২০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা, পুঁইশাক কেজি প্রতি ২০ টাকা, পেঁপে ৫ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, টমেটো ১০ টাকা বেড়ে কেজি প্রতি ৮০ টাকা, বরবটি ১০ টাকা বেড়ে ৫০ টাকা, কাঁচকলা ১৫ টাকা হালিতে বেড়ে ৩০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংস, ব্রয়লার ও পাকিস্তানি কক মুরগীর। গরুর মাংস কেজি ৫৫০ থেকে৫৮০ টাকা, ব্রয়লার ১৩০ থেকে ১৫০ টাকা ও পাকিস্তানি মুরগী ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা।

পেঁয়াজ, রসুনের দাম বাড়ার বিষয়ে কারওয়ানবাজারে পাইকারী ব্যবসায়ী আলমগীর বলেন, আমরা গত সপ্তাহে পাইকারি মোকামে পেঁয়াজ ও রসুন যা কিনেছি গত ৩ দিন ধরে আমাদের অনেক বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। হঠাৎ করে দেশি পেঁয়াজ ও আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই। আমরা বেশি দামে কিনছি তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে সামনে পেঁয়াজ, রসুনের দাম আরও বাড়বে।

বাজারে পণ্যের দাম কেমন এ বিষয়ে কারওয়ানবাজার কাঁচা বাজারে কথা হয় বাজার করতে আসা চাকুরিজীবী আরিফ হোসেন সঙ্গে। তিনি বলেন, বাজারে প্রায় সবকিছুর দাম বেশি। এখানে আমরা দিনদিন অসহায় হয়ে পড়ছি। আমাদের যেন কিছুই করার নেই। ডিম, আদা, পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচা মরিচ, বেগুন সবকিছুতে দাম বেড়েছে। এত দাম বাড়লে আমরা কিভাবে বেঁচে থাকব। এই শহর যেন আমাদের জন্য দিন দিন অভিশাপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তবে অপরিবর্তিত রয়েছে চালের বাজার। বাজারে বিভিন্ন কোম্পানির চাল বিভিন্ন দরে বিক্রি হচ্ছে। রশিদ মিনিকেট (৫০ কেজি বস্তা) বিক্রি হচ্ছে ২৫৬০ টাকা, নাবিল মিনিকেট ৫০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকা, মোজাম্মেল মিনিকেট ৫০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫৫০ টাকা, সাকি ২৮ চাল ৫০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৯৮০ টাকা, নূরজাহান পাইজাম ৫০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭৩০ টাকা, দাদা ২৮ চাল ৫০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০০ টাকা, শ্যামলী ২৮ চাল ৫০ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৯০০ টাকা, এছাড়া তীর ময়দা ৫০ কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০০ টাকায়। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]