• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ, ৮১ শতাংশ কাজ শেষ, আজ সেতুতে বসছে শেষ পাইল


দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতুর কাজ, ৮১ শতাংশ কাজ শেষ, আজ সেতুতে বসছে শেষ পাইল

আমাদের নতুন সময় : 14/07/2019

স্বপ্না চক্রবর্তী : পদ্মা সেতু প্রকল্পের সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অংশ মাটির নিচে শেষ পাইল বসছে আজ। গতকাল শনিবারে এটি বসানোর কথা থাকলেও আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় ওয়েলডিং করা সম্ভব হয় নি। ৩০ জুন পর্যন্ত তারিখে সেতুর প্রায় ৮১ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বসে গেছে ১৪ টি স্প্যান।

সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের বলেন, আজকেই (গতকাল) পাইলটি বসানোর কথা ছিলো। কিন্তু আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকায় এটি সম্ভব হয় নি। তাই আগামীকাল (আজ) সকাল সাড়ে ১১ টায় জাজিরা প্রান্তের কাছাকাছি সেতুর ২৬ নাম্বার খুঁটিতে ৭ নম্বর পাইলটি বসানোর কাজ সম্পন্ন হবে। তিনি জানান, প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের এক তৃতীয়াংশের কাজই শেষ। সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং কাজ পাইল বসানোও শেষ হচ্ছে আজ। এখন সেতুর উদ্বোধন সময়ের ব্যাপার মাত্র।  দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর খুঁটিতে বসানো হয় দ্বিতীয় স্প্যান। গত বছরের ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর খুঁটির ওপর বসে তৃতীয় স্প্যান। ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর খুঁটির ওপর চতুর্থ স্প্যান বসানো হয়। তিনি বলেন, সর্বশেষ গত ২৯ জুন বিকাল সোয়া চারটায় সেতুর মাওয়া প্রান্তের ১৫ ও ১৬ নম্বর পিলারের উপর বসানো হয় ১৪ তম স্প্যানটি। এ স্প্যানটি বসানোর পর সেতুর মোট ২ হাজার ১০০ মিটার দৃশ্যমান হয়েছে। জাজিরাপ্রান্তে ৯ টি স্প্যানের মোট ১৩৫০ মিটার ও মাওয়া প্রান্তের তিনটি স্থায়ী ও একটি অস্থায়ী স্প্যান মিলে মোট ৬০০ মিটার এবং সেতুর মাঝ বরাবর একটি স্প্যান অস্থায়ীভাবে বসানোয় ১৫০ মিটার যোগ করে সেতুর মোট ২ হাজার ১০০ মিটার দৃশ্যমান হল। তবে, স্প্যানগুলো ভিন্ন ভিন্ন মডিউলে বসানোর কারণে দৃশ্যমান অংশগুলো এক সারিতে নয় বরং, বিচ্ছিন্নভাবে রয়েছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ দলের প্রধান অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী জানান, এখন আর পদ্মা সেতু নিয়ে বড় কোনো সমস্যা নেই। সব পিলারের নকশা ঠিকাদারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন কাজ হলো নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করা।

জানা যায়, পদ্মা সেতুতে দুই ধরনের স্প্যান বসবে নদীর মধ্যে থাকা ৪২ টি পিলারের উপর ৪১ টি স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) যেগুলো মূলত স্টিলের এবং নদীর দুই পাড়ে থাকা ভায়াডাক্টের উপর ৭ টি করে ১৪ টি রেলওয়ে স্প্যান এবং জাজিরা প্রান্তে ২৩৪ টি সুপার-টি গার্ডার ও মাওয়া প্রান্তে ২০৪ টি সুপার-টি গার্ডার মিলিয়ে মোট ৪৩৮ টি সুপার-টি গার্ডার বসবে। এতে মোট রোডওয়ে স্প্যান হবে ৮৩ টি। স্টীলের স্প্যান বা সুপার স্ট্রাকচার বসানো হয়েছে মোট ১৪ টি। অন্যদিকে, রেলওয়ে গার্ডারের স্প্যান বসেছে ৭টি। তবে, রোডওয়ে সুপার-টি গার্ডারের কোন স্প্যান এখনও বসানো হয়নি। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]