• প্রচ্ছদ » » পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ যদি হালদা নদীর মতো একটি নদী আর সুন্দরবনের মতো একটি বন পেতো কী আদর-যতেœ যে রাখতো


পৃথিবীর অন্য কোনো দেশ যদি হালদা নদীর মতো একটি নদী আর সুন্দরবনের মতো একটি বন পেতো কী আদর-যতেœ যে রাখতো

আমাদের নতুন সময় : 14/07/2019

কামরুল হাসান মামুন

‘বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্জ্যে ধ্বংসের মুখে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন নদী হালদা’! এটি ডেইলি স্টারে লেখার শিরোনাম। একদিন ঠিক এমনি আরেকটি শিরোনাম হবে ‘রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে মৃত্যুর মুখে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন’! তারপরও কি আমাদের বিকার হয়? ভাবা যায় হালদা নদীর মতো একটি নদীকে কেবল আমাদের নির্বুদ্ধিতা আর কিছু লোকের অতি লোভী মানসিকতার জন্য আজ মৃত্যুপথযাত্রী। আমি অনেকদিন যাবৎ জেনে আসছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক/গবেষক নিরলসভাবে প্রশাসনের কাছে এটিকে রক্ষার পদক্ষেপ নেয়ার জন্য ধর্ণা দিয়ে আসছেন। কিন্তু আমাদের সরকার মানে নেতা-নেত্রী আর আমলাদের যে এর চেয়েও বড় কাজে ব্যস্ত। হায় বাংলাদেশ! ঠিক তেমনি ইউনেস্কো ইতোমধ্যেই সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের লিস্ট থেকে বাদ দেয়ার চিন্তা করছে। কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওসেনোগ্রাফিক বিভাগের অধ্যাপক তুহিন ঘোষ বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গের সুশীল সমাজের লোকজন বাংলাদেশের সুন্দরবনে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে উচ্চবাচ্চ্য করছেন না। কারণ এই সুশীলরা মনে করে এটা কেবল বাংলাদেশের অংশের ক্ষতি করবে। কি অদ্ভুত! গোটা সুন্দরবনের ৬০ ভাগ বাংলাদেশে আর ৪০ ভাগ ভারতের অংশে। এই ৬০ ভাগ গেলে কি সুন্দরবন তার গেøারি নিয়ে আর বাঁচতে পারবে? অধ্যাপক তুহিন ঘোষ সেটাই বলার চেষ্টা করছেন জনমত গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। কিন্তু আমাদের বুদ্ধিজীবীদের কি অবস্থা? বুঝতে পারলেন তো পশ্চিমবঙ্গের বুদ্ধিজীবীরা জানে যে, রামপাল কয়লা প্রকল্পের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে। আর আমরা নাকে সরিষার তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছি আর বলছি, সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না। কারণ এরা জানে ক্ষতিটা যখন চোখে দেখার মতো দৃশ্যমান হবে তখন আমরা কেউ থাকবো না। তাই হো কেয়ার্স! এই হলো আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের নেতানেত্রীদের দায়িত্ব ও মমত্ববোধ।
পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশ যদি হালদা নদীর মতো একটি নদী আর সুন্দরবনের মতো একটি বন পেতো কি আদর যতেœ যে রাখতো। আমাদের নির্বুদ্ধিতার জন্য আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে হুমকির মধ্যে রেখে যাচ্ছি। ক্ষমা নেই এর। ঝড়সব ফধসধমবং ধৎব ংরসঢ়ষু রৎৎবঢ়ধৎধনষব! ঙহপব ঃযব ফধসধমব রং ফড়হব ড়হষু ঃযরহম ঃযধঃ বি পধহ ফড় রং : হায় হায় আমাদের তো সব শেষ গেলো। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]