অর্থপাচার বিষয়ক দুর্নীতি প্রত্যাখান করলেন বিচারপতি সিনহা

আমাদের নতুন সময় : 15/07/2019

মোহাম্মদ আলী বোখারী, টরন্টো থেকে : 
দক্ষিণ এশীয় ভাষাভাষীর নিউজপোর্টাল ‘বেনারনিউজ’-এ গত ১১ জুলাই প্রকাশিত বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সাক্ষাতকারভিত্তিক প্রতিবেদনটি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তদুপরি বর্তমানে সস্ত্রীক কানাডায় অবস্থানরত ওই বিচারপতি এই প্রতিনিধিকে জানান, সরকার দেশের প্রচলিত আইন কুক্ষিগত করে মরণপণ দুর্নাম ছড়াতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অর্থপাচার বিষয়ক অভিযোগ দাখিল করেছে। লক্ষ্য একটাই, যাতে তার প্রদানকৃত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত রায়ের হৃতগৌরবটি ভূলুণ্ঠিত হয়।

এক্ষেত্রে বিচারপতি সিনহার সরাসরি ভাষ্য হচ্ছে উত্তরার ১০ নম্বর সেক্টরে তার একটি ৬তলা বাড়ি ছিলো, যা নির্মাণে ঋণের ২ কোটি টাকা ব্যয় হয়। সেটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) কর্তৃক বরাদ্দকৃত প্লটে নির্মিত ছিলো। একইসঙ্গে সেই প্লট আশুলিয়ার কাছাকাছি হওয়ায় তুলনামূলক দূরত্ব, নির্জন এলাকা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিবেচনা করে তিনি তা রাজউকের পূর্বানুমতি সাপেক্ষে ৬ কোটি টাকায় বিক্রি করে দেন। ইতিমধ্যে খোঁজ নিয়ে জেনেছেন, রাজউকের ওই পূর্বানুমতির ফাইলটি এখন লাপাত্তা। তবে বাড়ি বিক্রির চুক্তি মোতাবেক ওই ৬ কোটি টাকা থেকে দালান নির্মাণের ঋণ ২ কোটি টাকা পরিশোধসহ নিজের প্রাপ্ত ৪ কোটি টাকায় উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরে নিজ নামে ও বড় মেয়ের জন্য দুটি ডুপলেক্স অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং অবশিষ্ট অর্থ ছোট মেয়ের নামে দেশেই ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ করেন। উপরন্তু সেই অর্থ লেন-দেনের তথ্য তার দাখিলকৃত আয়করের ফাইলে উল্লেখ রয়েছে।

তাতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তা হলে দুর্নীতি বা অর্থপাচার কী করে ঘটলো? পাশাপাশি তিনি যে বাড়ি বিক্রির ৪ কোটি টাকা সরাসরি গ্রহণ করেছেন, তার সমুদয় অর্থ ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে ঘটেছে এবং ব্যাংকেই জমা পড়েছে। এক্ষেত্রে বাড়ির ক্রেতারা কথিত ফারমার্স ব্যাংক থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করেছিলো কিনা, সেটি তার অনুসন্ধানের বিষয় নয়। এছাড়া তিনি বলেন, দেশের প্রচলিত আইনে কোনো বাড়ি ক্রেতার অর্থের উৎস অনুসন্ধানেরও কোনো বিধান নেই, যা আজো প্রবর্তিত হয়নি।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]