• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » বন্যার পানির তোড়ে ভাঙন, বসতভিটা হারিয়েছে হাজারো পরিবার, তীব্র বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট


বন্যার পানির তোড়ে ভাঙন, বসতভিটা হারিয়েছে হাজারো পরিবার, তীব্র বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট

আমাদের নতুন সময় : 16/07/2019

মুরাদ হাসান : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। পানিবৃদ্ধির সঙ্গে নদীভাঙনে দুর্গত এলাকার  লোকজন বসতবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। পানিবন্দি এলাকাগুলোতে  দেখা দিয়েছে তীব্র বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। অনেক স্থানে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছেনি বলেও অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। প্রতিনিধিদের পাঠানো সংবাদ: কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি শাহনাজ পারভিন জানান, জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি  হয়েছে বলে জানিয়েছেন । বন্যায় ২৮৪ বিদ্যালয়ে বন্ধ হয়ে গেছে পাঠদান। এছাড়াও ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যায় জেলার দেড় হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। জেলায় ৪০৯টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার জন মানুষ  আশ্রয় নিয়েছেন।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি লাভলু শেখ জানান, জেলার ৫ উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে । বন্যার পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত লালমনিরহাট জেলার ৫ উপজেলার ৪৪টি বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

জামালপুর প্রতিনিধি খাদেমুল বাবুল জানান, বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায়  প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। জেলার যমুনার তীরবর্তী দেওয়ানগঞ্জ ও ইসলামপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। সরকারি হিসাবে দেওয়াগঞ্জ পৌর সভা ও আট ইউনিয়নে ৮০ হাজার ও ইসলামপুরের সাত ইউনিয়নের ৭০ হাজারসহ জেলায় এক লাখ ৯৬ হাজার মানুষ বন্যা আক্রান্ত হয়েছে।

বগুড়া প্রতিনিধি টি এম মামুন জানান, জেলায় প্রতিদিন নতুন এলাকায় পানি ঢুকে পড়ায় বানভাসী পরিবারের লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে পার্শ্ববর্তী উঁচু স্থানসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে ধুনট, সারিয়াকান্দী ও সোনাতলা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের প্রায় ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এই ৩ উপজেলার ৬১ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে তথ্য পাঠিয়েছেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি এইচ এম রাফি পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানান, টানা বর্ষণ ও ভারতে ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার হাওড়া নদীর বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে বাঁধের আশপাশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি স্বপন দেব জানান, জেলার কমলগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরোও অবনতি হয়েছে।আদমপুর ইউনিয়নের হকতিয়ারখোলা ও রহিমপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধে ও রাতে কমলগঞ্জ পৌরসভার রামপাশা গ্রামেরসহ ৪ টি ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে প্রায় ২৫টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে বলে তথ্য পাঠিয়েছেন ।

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি  আজিজ মন্ডল জানান, পানি বৃদ্ধি পেয়ে নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আত্রাই নদী, চিরী নদী, ছোট যমুনা নদী, ঘুখষি খাড়ি, কোতলা খাড়ি, টুটিকাটা খাড়ি, শিয়ারা খাড়ি, জবাইবিল, ডুম্বরবিল, তাতিমারি বিল, রসুলবিল, গন্দিহার, সাতবিলা,বুড়িদহবিলের আমন ধানের বীজতলা তলিয়ে গেছে।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]