• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রধান আসামি হয়েই মারা গেলেন এরশাদ,বিচার হয়নি জিয়া হত্যাকা-ের


মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রধান আসামি হয়েই মারা গেলেন এরশাদ,বিচার হয়নি জিয়া হত্যাকা-ের

আমাদের নতুন সময় : 17/07/2019

দেবদুলাল মুন্না : আজ আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।বিশে^র বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে দিনটি।১৯৮১ সালে চট্টগ্রামের এক সেনা অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হয়েছিলেন, সেই অভ্যুত্থানে সামরিক আদালত ১৩ জন সেনা অফিসারকে ফাঁসি দিলেও জিয়াউর রহমান হত্যাকা-ের বিচার করা হয়নি।ঠিক একইভাবে গত তিন দশকে ৪২টি মামলার দায় থেকে মুক্ত হতে পারলেও একটি হত্যা মামলার আসামি হয়েই মারা গেলেন সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় চট্রগ্রামে একদল সৈন্যের গুলিতে নিহত হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।ওই ঘটনার পর পুলিশের হাতে আটক হন জেনারেল মঞ্জুর, যিনি সে সময় সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ছিলেন। ১ জুন চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নেওয়ার পর তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তখন এরশাদ ছিলেন সেনাপ্রধানের দায়িত্বে। পরে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। সর্বশেষ চলতি বছরের ২৭ জুন নাজিমুদ্দিন রোডের পুরান কেন্দ্রীয় কারাগারের পাশে স্থাপিত ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২৬ অগাস্ট দিন ঠিক করে দেন।এর আগেই মামলার প্রধান আসামি এরশাদ মারা যান।

গণআন্দোলনে এরশাদের পতন ঘটলে ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেছিলেন মঞ্জুরের ভাই।এদিকে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামের এক সেনা অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। সেই অভ্যুত্থানে সামরিক আদালত ১৩ জন সেনা অফিসারকে ফাঁসি দিলেও জিয়াউর রহমান হত্যাকা-ের বিচার করা হয়নি।

যে সামরিক আদালতের কাছে কথিত অভ্যুত্থানকারীদের বিচার করা হয়েছিল তাতে অভিযুক্তদের পক্ষে আইনি কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা এবং বর্তমানে বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রধান সৈয়দ ইব্ররাহিম।তিনি বলেন,‘আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে অভিযুক্তরা ন্যায় বিচার পাননি, কোর্ট মার্শাল যতদিন চলার কথাছিল ততদিন চলতে দেয়া হয়নি। যে সকল স্বাক্ষী প্রমাণ করতে আমরা চেয়েছি সে গুলো হাজির করতে দেওয়া হয়নি। এবং আমি মনে করি যদি স্বাক্ষীর প্রমাণ সবগুলোকে আইন মোতাবেক উপস্থিত করতে পারতাম তাহলে আরো অনেকে ব্যক্তি ন্যায় বিচার পেতেন।সেনা বিদ্রোহের মূল চালিকাশক্তি এবং নৈপথ্যের নায়ককে খুঁজে বের করা হয়নি। কিছু লোককে বাধ্যতামূলক ফাঁসি দিয়েছে। আমি মনে করি সেই কোর্ট মার্শাল তাদের স্বাধীন বিবেচনায় কাজ করতে পারেনি। তারা একটি চালিকাশক্তিতে চালিত হয়েছিল।’

সৈয়দ ইব্রাহিম বলেন,‘বিচারের জন্য জিয়াউর রহমানের পরিবারের যথেষ্ট চেষ্টা করেছে কিনা এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।’ সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]