• প্রচ্ছদ » » পরীক্ষায় ফেল মানে সব শেষ নয় ফেল মানে জীবনে আশীর্বাদ


পরীক্ষায় ফেল মানে সব শেষ নয় ফেল মানে জীবনে আশীর্বাদ

আমাদের নতুন সময় : 18/07/2019

আফরোজা সোমা

১৭ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ২০০৩ সালে আমি এইচএসসি পাস করেছিলাম। তার আগে অবশ্য হাই স্কুল পাস করার আগেই আমার পড়ালেখায় গ্যাপ আছে তিন বছর। গ্যাপ বলা ঠিক না। আসলে আমি ফেল্টুস ছিলাম। বছর বছর ফেল করতাম। যদি ফেল না করে পড়ালেখা নির্বিঘেœ চলতো তাহলে আমার এইচএসসি পাসের সাল হতো ২০০০। সে যাই হোক জীবনের হয়তো একটা নিজস্ব গতি থাকে। এইচএসসিতে ২০০৩ সালেই প্রথম গ্রেডিং চালু হয়। আমি হিউমেনিটিজ গ্রæপ থেকে আমার কলেজে ফার্স্ট হয়েছিলাম। পরে শোনা যায় ওই থানায় হিউমেনিটিজ থেকে ওটাই নাকি সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট। ভালো মানে ওই কৌতুকের মতো করে আপনি বলতে পারেন যে, তিনজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন ২৮ পেয়ে থার্ড, আরেকজন ২৯ পেয়ে সেকেন্ড আর তৃতীয়জন ৩৩ পেয়ে পাস করে যেভাবে ফার্স্ট হয়, অনেকটা সেরকমই আর কি। সেবার অবশ্য সারাদেশে এ প্লাস পেয়েছিলো সম্ভবত মোট ২০ জন।
১৭ জুলাই এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। যারা সফল হয়েছে তাদের অভিনন্দন। কিন্তু আজকে এই লেখার মূল উদ্দেশ্য পরীক্ষা পাসের লড়াইয়ে এগিয়ে থাকারা নয়। যারা ফেল করেছে তাদের জন্যই এই লেখা। ফেল করাদের আত্মীয়-স্বজনেরাও এ লেখার টার্গেট অডিয়েন্স। যে ফেল করেছে প্লিজ তার পাশে থাকুন। নুইয়ে পড়া মুমূর্ষু একটা চারাগাছ যেমন নিয়মিত আন্তরিক পরিচর্যা আর ভালোবাসায় একদিন মহিরুহ হয়ে উঠে, আপনার আজকের ‘ব্যর্থ’ ‘ফেল্টুস’ ‘অপদার্থ’ ‘সংসারের ইজ্জত খোয়ানো’ ছেলেটি বা মেয়েটিও একদিন সত্যিই জীবনের মহাপ্রান্তরে সবুজ বিথীকা হয়ে ছায়াদায়ী হবে। ফেল করা ভাই ও বোনেরা আমার, ভালোবাসা জেনো। আর মনে রেখো জীবনে অভিশাপের রূপ ধরেও কখনো কখনো আশীর্বাদ আসে। মনে ভেবো, হয়তো এই ফেলটাই তোমার প্রতি তোমার জীবনের আশীর্বাদ। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]