অন্তর্বাস তৈরি, প্রতিবাদ জানাতে পদদলন বিভিন্ন দেশে জাতীয় পতাকার বিবিধ ব্যবহার

আমাদের নতুন সময় : 19/07/2019

রাশিদ রিয়াজ : যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন থেকে শুরু করে বিশে^র অন্তত ১শ টি দেশ তাদের জাতীয় পতাকা নারী ও পুরুষের অন্তর্বাস হিসেবে ব্যবহার করছে বহুদিন থেকে সংস্কৃতির এক ধারাবাহিক উপস্থাপন হিসেবে। ইরানে মার্কিন পতাকা পদদলন করে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ কিংবা ইসরাইলি পতাকায় আগুন দিয়ে ফিলিস্তিনিদের গুলি করে হত্যার কড়া প্রতিবাদ প্রায় নিত্যদিনের ঘটনা। তবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে পতাকা এমনি এক ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক যা কখনো অন্তর্বাস পর্যন্ত পৌঁছায় না। লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা পাকিস্তানি হানাদারদের হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক অভূতপূর্ব অভ্যুদয় যার নাম বাংলাদেশ।

খেলার মাঠে গ্যালারিতে, জাতীয় দিবসগুলোতে ঘর থেকে মাঠে ময়দানে এমনকি ধর্মীয় উৎসবে গ্রামাঞ্চলে ঈদগাহ পর্যন্ত শোভিত হয়ে ওঠে কাগজের পতাকা আর রঙ্গিন বেলুনে। কোর্টপিন, স্টিকার, পতাকার আদলে খেলনা, চকলেট, আইসক্রিম, ললিপপ শিশুদের কাছে নানা রংয়ে নানা ঢংয়ে আকর্ষণীয় করে তোলা হয়। তাই জাতীয় পতাকা নিয়ে নানা প্রশ্নে ইয়ত্তা নেই। কেন এত রংবেরংয়ের পতাকা? পতাকায় চাঁদ, তারা, ক্রুশ থেকে শুরু করে ফুল, পাখি সহ কেন এত ভিন্নধারার সংস্কৃতি আর প্রতীকের ব্যবহার, এতসব রংয়ের ব্যাখ্যাও রয়েছে বিস্তর। জলদস্যুদের নরকংকালের প্রতীকী পতাকা তো বুকে কাঁপন ধরায়। এমনকি পতাকা তৈরিতে সুতি, সিল্ক সহ নানা ধরনের কাপড়, চামড়া, ধাতব ছাড়াও নানা ধরনের উপাদান ব্যবহার হয় বিভিন্ন দেশের প্রয়োজনীয় চাহিদা বিবেচনায়। চাঁদে নীল আর্মস্ট্রংয়ের উড়ানো মার্কিন পতাকা কি কাপড়ের নাকি ধাতব ছিল এমন প্রশ্ন শিশুদের মনে কৌতুহলের সৃষ্টি করে। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]