• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » জামালপুর ও গাইবান্ধায় ৮ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট


জামালপুর ও গাইবান্ধায় ৮ লাখ মানুষ পানিবন্দি, ত্রাণ ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট

আমাদের নতুন সময় : 19/07/2019

মুরাদ হাসান ও টি এম হুদা : জামালপুর ও গাইবান্ধার বন্যা পরিস্থিতি অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। দুই জেলার প্রায় ৮ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর অবস্থায় রয়েছেন। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি ও ত্রাণের অভাব দেখা দিয়েছে। জামালপুর থেকে শরিফুল ঝোকন জানান, যমুনার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। বন্যার্তরা সবচেয়ে বিপাকে পড়েছে গবাদিপশুর খাবার নিয়ে। পানিবন্দি মানুষের অভিযোগ অনেকেই এখনও কোনো ত্রাণ সামগ্রী পাননি। তবে যে ত্রাণ আসছে তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম বলে দাবি করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ১০০ বছরের রেকর্ড ভেঙে গতকাল বৃহস্পতিবার যমুনার পানি বিপদসীমার ১৬৬ সে:মি ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও গবাদি পশুর খাবারের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। পানিবন্দি মানুষের অভিযোগ অনেকেই এখনও কোনো ত্রাণসামগ্রী পাননি। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে- এ পর্যন্ত বন্যার্তদের জন্য ৭৮০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। ত্রাণের বরাদ্দের পরিমাণ আরো বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবির।

গাইবান্ধা থেকে আনোয়ার হোসাইন জানান, প্রায় ৫ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বাঁধ ভেঙে গাইবান্ধা শহরের দুই তৃতীয়াংশ এলাকার বাসাবাড়ি তলিয়ে গেছে। অপর দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে ঢুকে পড়ে বন্যার পানিতে প্লাবিত হচ্ছে। বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ১১৪টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় ৫৫ হাজার মানুষ।

মানিকগঞ্জ থেকে সোহেল হোসাইন জানান, মানিকগঞ্জের শিবালয়ে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার আট সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরিচা পয়েন্টে গতকাল সকাল থেকেই বেড়েছে যমুনার পানি। সম্পাদনা : ওমর ফারুক

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]