• প্রচ্ছদ » » ‘ইন্টারেস্ট’ শব্দের অর্থ ‘সুদ’ নয়, ‘লভ্যাংশ’


‘ইন্টারেস্ট’ শব্দের অর্থ ‘সুদ’ নয়, ‘লভ্যাংশ’

আমাদের নতুন সময় : 20/07/2019

সিদ্দিক মাহমুদ

Interest কথাটির অর্থ ‘সুদ’ নয়, ‘লভ্যাংশ’। ব্যাংক আমার টাকা নিয়ে ব্যবসা করছে, ব্যবসায় তারা প্রতিবছর যে লাভ করে তার অতি ক্ষুদ্র অংশ তারা আমাদের দেয়। ১৯৪৭ সালের পর বাংলাদেশের কোনো ব্যাংক ‘লোকসান’ করেনি। বর্তমান সরকার ব্যবস্থায় প্রতি ব্যাংককে এক বিশাল অঙ্কের টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে (সরকারের কাছে) জমা রাখতে হয়, যার ফলে ‘যদি’ ব্যাংক ‘লোকসান’ করেও তাহলেও আমানতকারী কখনোই ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। সরকার সেই দায়িত্ব নেয়। যেহেতু ব্যাংক প্রতি বছর আমানতকারীদের অতি ক্ষুদ্র অংশ লাভ দেয় তাই কোনো বছর তাদের ‘লাভ’ কম হলে বা ‘লোকসান’ হলে তাদের সার্বিক ব্যবসা স্থিতিশীল থাকে বলে আমানতকারীদের ওই ক্ষুদ্র লভাংশ দিতে তাদের কোনো অসুবিধা হয় না। তাছাড়া যে বছর তাদের কম লাভ হয় বা লোকসান হয় সে বছর তারা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কমিয়ে দেয় না, হয় তো যতোগুলো ‘বোনাস’ দেয়ার কথা থাকে, সেটা তারা দেয় না।
আমি কারও নিকট থেকে অর্থ ঋণ নিলে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর নিয়মিতভাবে আমাকে যে টাকা ‘মহাজন’কে দিতে হয় সেটা ‘সুদ’। এই ‘সুদ’ ভয়াবহ রকমের ‘নিবর্তনমূলক’, ‘নির্যাতনমূলক’। এই দুই প্রকার আর্থিক লেন-দেন এক নয়, এক পাল্লায় মাপা উচিতও নয়। তাই ‘ইধহশ ওহঃবৎবংঃ’ কথাটির অর্থ ‘ব্যাংকের সুদ’ নয়। ‘লভ্যাংশ’। ইসলামী ব্যাংক বা বাণিজ্যিক ব্যংকের নিয়ম বাংলাদেশে একই রকম। দুই প্রকার ব্যাংকই বাংলাদেশ ব্যাংক (বাংলাদেশের সরকারের) নিয়ম মেনেই চলে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]