• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » প্রতিটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে বললেন ড: আইনুন নিশাত


প্রতিটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধকে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে বললেন ড: আইনুন নিশাত

আমাদের নতুন সময় : 20/07/2019

শাহীন খন্দকার : এনডিআরসিসি’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের বন্যা কবলিত জেলাগুলোর  ১৩টি জেলার ৪৫টি উপজেলায় পানিবন্দী ৪৫ লাখ মানুষ। এ প্রসঙ্গে ড.আইনুন নিশাতের কাছে জানতে চাওয়া হলে, তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে  প্রলয়ংকারী বন্যা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে।  সেসময় দুই দফা বন্যায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন  জেলাসহ সারাদেশে ৪৫ মিলিয়ন মানুষ ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়।  ১৯৮৭ সালের বন্যায় দেশের ৫০ টি জেলার ৩৪৭টি উপজেলা ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। কিন্তু গত ৩০ বছরে দিনাজপুরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলোর কোনো রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি।

দিনাজপুর একটি বন্যা প্রবণ জেলা হিসেবে বিবেচিত ছিল না। এই  জেলার ভিতর দিয়ে বয়ে চলা  প্রায় সব ক’টি নদী  যেমন পূনর্ভবা, টাঙ্গন  এটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী আর আত্রাই নদীর গভীরতা একেবারেই কমে  গেছে। এই নদীগুলোর পানি ধারণ ক্ষমতা তাই ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

চলতি বছর বর্ষা মৌসুমে ভারতে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হওয়ায় নদীগুলো উজান থেকে বিপুল পরিমাণে পানি বহন করে নিয়ে আসে। আইনুন নিশাত বলেন, এই বারের বন্যা কিন্তু বাংলাদেশের জন্য একটি বড় শিক্ষা! আর চরাঞ্চলে বন্যা হবেই, তিনি বলেন, বন্যা  হোক আর না  হোক, প্রত্যেকটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধকে প্রতি বছর রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। যদি নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয় তাহলে মানুষ নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার সুযোগ পাবে। পাশাপাশি অনেক প্রাণহানীও এড়ানো যাবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী, ইকবাল




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]