প্রিয়াংকা গান্ধীকে আটক করলো উত্তর প্রদেশ পুলিশ পুলিশ

আমাদের নতুন সময় : 20/07/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতের উত্তর প্রদেশে রাজ্য (পূর্ব) কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াংকা গান্ধীকে আটকে দিয়েছে পুলিশ। গত সপ্তাহে রাজ্যের সোনভদ্রা গ্রামে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হন। পুলিশ প্রথমে তাকে বাঁধা দেয় এরপর আটকে রাখে। পুলিশের বাঁধা পেয়েই রাস্তায় বসে পড়েন প্রিয়াংকা। এরপর তাকে একটি গাড়িতে জোর করে নিয়ে আটকে রাখে পুলিশ। পরে পুলিশি প্রহরায় প্রিয়াংকাকে একটি সরকারি রেস্টহাউজে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, ওই সহিংসতার পর সেই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি ছিলো। এনডিটিভি, আনন্দবাজার।

সোনভদ্রার কাছে মির্জাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রিয়াংকা বলেন, ‘আমি শুধু ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। এই পরিবারের সদস্যদের নির্দয়ভাবে গুলি করে মারা হয়েছে। আমার ছেলের বয়সি একটি ছেলেকে গুলি করা হয়েছে। সে এখন হাসপাতালে। আমাকে বলুন কোন আইনের ভিত্তিতে আমাকে আটক করা হলো। আমি এখানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নিয়েছি। আমাকে আটকানোর কোনো সমন থাকলে তা আমাকে দেখান।’ সকালে বেনারসে পৌঁছান প্রিয়াংকা। সেখানকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের দেখার সোনভদ্রা রওনা দেন প্রিয়াংকা। এই ঘটনাকে গ্রেপ্তার অভিহিত করে কংগ্রেসের সদ্য পদত্যাগী সভাপতি ও প্রিয়াংকার ভাই রাহুল গান্ধী। তিনি টুইটারে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘প্রিয়াংকাকে উত্তর প্রদেশে অবৈধভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটি ক্ষমতার নগ্ন প্রদর্শনী। তাকে ১০টি আদিবাসী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। যাদের সদস্যদের বিভৎসভাবে হত্যা করা হয়েছে।’ আটক হওয়ার পর যোগী আদিত্যনাথ সরকারকেও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন প্রিয়াংকা।  তিনি বলেন, ‘বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে অপরাধীদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছে। দিন দুপুরে হত্যা করছে। আর এটা ঘটেই চলেছে। সোনভদ্রার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ রকম নৈরাজ্য দেখেও প্রশাসন ও মুখ্যমন্ত্রী ঘুমাচ্ছেন।’ সম্পাদনা : ইকবাল খান

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]