• প্রচ্ছদ » » মৃত্যুবার্ষিকীতে নারী, শিক্ষক ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকর্মী বিপ্লবী হেনা দাসকে স্মরণ


মৃত্যুবার্ষিকীতে নারী, শিক্ষক ও ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকর্মী বিপ্লবী হেনা দাসকে স্মরণ

আমাদের নতুন সময় : 20/07/2019

বাবলু ভট্টাচার্য : এ দেশের নারী আন্দোলন ও শিক্ষক আন্দোলনের কথা উঠলেই যার নামটি সবার আগে উচ্চারিত হয় তিনি হেনা দাস। ১৯৪২ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই পেয়ে যান কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য পদ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, নানকার আন্দোলন, বাম গণতান্ত্রিক আন্দোলন, শিক্ষক আন্দোলন… সব আন্দোলনে তিনি সবসময় থেকেছেন পুরোভাগে। একাত্তরে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পালন করেছেন অগ্রণী ভ‚মিকা। তার বাবা রায় বাহাদুর সতীশচন্দ্র দত্ত ছিলেন সেসময় সিলেট শহরের নামকরা আইনজীবী। ১৯৪৭ সালে বিএ পাস ও ১৯৬০ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে বিএড পাস করে শিক্ষকতা পেশায় যোগদান করেন। শিক্ষকতা পেশায় থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাইভেটে এমএ ডিগ্রি পান। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসে পার্টির কাজের পাশাপাশি মহিলা পরিষদ ও শিক্ষক সমিতির পক্ষে দেশের স্বাধীনতার জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করেন। তিনি ড. কুদরত-এ-খুদা ও অধ্যাপক সামসুল হক শিক্ষা কমিশনদ্বয়ের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন দীর্ঘদিন।
২০০০ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে তিনি নারী মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সক্রিয় ভ‚মিকা রেখেছেন। হেনা দাসের প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘স্মৃতিময় দিনগুলো’, ‘স্মৃতিময় একাত্তর’, ‘উজ্জ্বল স্মৃতি’, ‘আমার শিক্ষা এবং শিক্ষকতা জীবন’, ‘চার পুরুষের কাহিনী’, ‘নারী আন্দোলন ও কমিউনিস্ট পার্টির ভ‚মিকা’ অন্যতম। প্রায় ৮৬ বছরে দীর্ঘ কর্মময় জীবনে হেনা দাস পেয়েছেন বহু সম্মাননা ও পুরস্কার। ২০০১ সালে পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ‘বেগম রোকেয়া পদক’। আরও পেয়েছেন মানুষের অফুরান ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা। ২০০৯ সালের ২০ জুলাই তিনি ঢাকায় মারা যান।
লেখক : চলচ্চিত্র গবেষক ও সাংস্কৃতিক কর্মী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]