আইএসরা এখন কোথায়, নাদিয়ার কাছে জানতে চাইলেন ট্রাম্প

আমাদের নতুন সময় : 21/07/2019

ইমরুল শাহেদ, সুস্মিতা সিকদার : ১৭ জুলাই বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ইরাকের ইয়াজিদি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নোবেল পাওয়া বর্তমানে মানবাধিকারকর্মী নাদিয়া মুরাদ। সাক্ষাতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে আইএসের হাতে তার আটক থেকে নির্যাতিত ও অনেক বার ধর্ষিত হওয়ার ঘটনা বিস্তারিত অবহিত করেন। তার মা এবং ছয় ভাইসহ পরিবারের ১৮ জন সদস্যকেই আইএস জঙ্গিরা হত্যা করেছে বলে তাকে জানান। সঙ্গে সঙ্গেই ট্রাম্প জানতে চান ‘আইএসরা এখন কোথায়?’ নাদিয়া বলেন, আইএসরা হয়তো চলে গেছে। কিন্তু ইরাকী এবং কুর্দিশরা ইয়াজিদি ভূমি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করছে। তিনি ইয়াজিদিদের নিজেদের বাসভূমিতে ফিরে যাওয়ার পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে মিনতি জানান। নাদিয়া মুরাদ বর্তমানে থাকেন জার্মানিতে। নাদিয়া আবারও বলেন, তারা আমার মা-ভাইকে হত্যা করেছে। নিহতরা স্থান পেয়েছে সিনজারের গণকবরে এবং আমি এখনো নিরাপদে থাকার জন্য লড়াই করে যাচ্ছি।’ ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি যে স্থানটি নিয়ে কথা বলছেন আমি সে স্থানটি ভালোভাবে চিনি। বিজনেস ইনসাইডার, ওয়াশিংটন পোস্ট

ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের সাক্ষাৎকারের ভিডিওতে দেখা যায়, একজন রোহিঙ্গা শরণার্থী ট্রাম্পকে বলেন,  মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধন বন্ধে তার কোন পরিকল্পনা  আছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, এটা আসলে কোথায়?

তখন ট্রাম্পের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটি বলেন, বার্মার পাশেই মিয়ানমার। তবে এ তথ্যটি সত্য নয়, আসলে বার্মাই বর্তমানে মিয়ানমার নামে পরিচিত।

২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর হামলায় প্রাণ বাঁচাতে ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ শরণার্থী হাইকমিশন জানিয়েছে, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর সহিংসতা শুরু হয় ১৯৯০ সাল থেকেই। আর তখন থেকেই তারা তাদের বাড়ি ঘর হারাতে শুরু করেছে। সম্পাদনা : রাশিদ, ইকবাল

 

 

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]