• প্রচ্ছদ » সর্বশেষ » উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্র সরকার প্রস্তুত রেখেছে সেনা, কারাগার আর ভ্রাম্যমাণ আদালত


উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্র সরকার প্রস্তুত রেখেছে সেনা, কারাগার আর ভ্রাম্যমাণ আদালত

আমাদের নতুন সময় : 06/08/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার আর রাজ্যটিকে ভেঙে দেয়ার ফ­েল উদ্ভুত পরিস্থিতি সামলাতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে কেন্দ্র সরকার। প্রস্তুত রাখা হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনা সদস্যদের। খালি করে রাখা হয়েছে জেলখানাগুলো। অভিযানের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ বিচারক ও আদালত। এনডিটিভি।

এগারো দিন আগেই ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জম্মু-কাশ্মীরের কর্মকর্তাদের একটি ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন। সেসময় বলা হয়েছিলো কাশ্মীরে আসা যেকোন সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা ঠেকাতে রাজ্যটিকে আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের দিয়ে ভরে ফেলতে হবে। জেষ্ঠ্য কর্মকর্তারা জানতেন, সরকারি  ঘোষণাটি কি হতে পারে, তারা সেভাবেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। সোমবার দুপুরের আগেই রাজ্য প্রশাসন তাই সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিলো। কাশ্মীরের জেষ্ঠ্য কর্মকর্তারা এনডিটিভিকে বলেছেন, এই ধরণের প্রস্তুতিতে তাদের খুব একটা সমস্যা হয়নি। কারণ ১৯৭১ সাল থেকেই তারা এ ধরণের প্রস্তুতি নিয়ে অভ্যস্থ। ভারতের কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের-সিআরপিএফ ৪৩০টি কোম্পানি অত্যন্ত সন্তপর্ণে রোববার রাতেই মোতায়েন করা হয়েছে। যাতে আধা সামরিক বাহিনীর ৪৩ হাজার সদস্য রয়েছেন। এই সেনাদের উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর বৃহত্তম পরিবহণ বিমান সি-১৭ গ্লোবমাস্টারে করে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি সূত্র বলছে, যুদ্ধের সময় যেভাবে গোপনে সেনা মোতায়েন হয়, এবারও তাইই হয়েছে। মাত্র এক সপ্তাহের কম সময়ে সম্পন্ন হয়েছে এই কার্য। সারাদেশ থেকেই নেওয়া হয়েছে সিআরপিএফ জওয়ানদের।

রাতেই ব্রডব্যান্ড ও মোবাইল সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে বিরোধীরা একাট্টা না হতে পারেন। পুরো বিষয়টিই হয়েছে সামরিক কায়দায়। শ্রীনগরে সরকারি বাদে সব ল্যান্ডফোনেরও সংযোগ রয়েছে বিচ্ছিন্ন। এক্ষত্রে লক্ষ্য ছিলো পরিস্কার, যেভাবেই হোক তথ্যের প্রবাহ আটকানো। আইনশৃঙ্থলা পরিস্থিতি সামলাতে নিয়ে আসা হয়েছে ৬০জন বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তাদের ‘ভ্রাম্যমাণ ম্যাজিস্ট্রেট’ বলে অভিহিত করা হচ্ছে। তারা দ্রুত গ্রেফতার আদেশ দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীকে সহায়তা করবেন। যাদের বৃহত্তম শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করা হবে তাদের রাখা হবে ৬টি বিশেষ অস্থায়ী তারাগারে। বড় আকারের গ্রেফতারের কথা মাথায় রেখেই এগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে। ছুটিতে থাকা সব সরকারি চিকিৎসককে অতিদ্রুত রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালও শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। প্রতিটি হাসপাতালে একজন রোগীর সঙ্গে মাত্র একজন অ্যাটেনডেন্ট থাকতে পারবেন। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]