নেহরু-শেখ আবদুল্লাহ’র মধ্যকার চুক্তির মৃত্যু হলো

আমাদের নতুন সময় : 06/08/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ১৯৫৩ সালে কাশ্মীর উপত্যকায় শান্তি আনতে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু এবং কাশ্মীরী নেতা শেখ আবদুল্লাহর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতো বছর এই চুক্তির আওতায়ই পরিচালিত হয়ে আসছে কাশ্মীর। কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের মাধ্যমে এই চুক্তির মৃত্যু হলো।

নেহরু-শেখ আবদুল্লাহর চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্র সরকার স্বীকার করে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের আর সকল রাজ্যের মতোই সমমর্যাদা পাবে। ভারতের অন্য রাজ্যগুলোর চেয়ে ভিন্ন চোখে কাশ্মীরকে দেখা যাবে না। কাশ্মীরের রাজ্য মর্যাদা কেড়ে নিয়ে ভাঙা হয়েছে চুক্তির প্রথম শর্তটিই। চুক্তি অনুযায়ী কাশ্মীরের বাসিন্দারা ভারতের নাগরিক। তবে রাজ্য বিধানসভা রাজ্যের মানুষের প্রয়োজনে আইন তৈরী ও সংশোধনের অধিকার সংরক্ষণ করে। নতুন ঘোষণায় রাজ্যটিতে আর কোনো বিধানসভা থাকছে না। পুরো ভারতের প্রতি যেই মর্যাদা দেখানো হয়, দেশটির প্রেসিডেন্ট কাশ্মীরকে একই মর্যাদা দেবেন। নেহরু-শেখ আবদুল্লাহর চুক্তি অনুযায়ী কেন্দ্র সরকার মেনে নিয়েছিলো কেন্দ্রীয় পতাকা ছাড়াও কাশ্মীরের নিজস্ব পতাকা থাকবে। তবে পরে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো রাজ্য পতাকার চেয়ে কেন্দ্রীয় পতাকার মর্যাদা বেশি। রাজ্য সরকার আরো সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো, তখনই রাজ্য পতাকাকে কেন্দ্রীয় পতাকার প্রতিদ্বন্দী বানানো হবে না। এবার ভারত সরকার কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নিয়ে এই মর্যাদাও কেড়ে নিলো। কাশ্মীরের আর কোনো নিজস্ব পতাকা থাকলো না।

নেহরু-শেখ আবদুল্লাহর চুক্তি অনুযায়ী রাজ্যটির গভর্নরের নাম ছিলো সারদার-ই-রিয়াসাত। তবে তাকে প্রেসিডেন্ট বা কেন্দ্র সরকার নিয়োগ দেবে না। নিয়োগ দেবে কাশ্মীর বিধানসভা। ভারত সরকার এই পদটিই বাতিল করে দিয়ে ২ জন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ দিয়েছে। সম্পাদনা : ইকবাল খান

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]