• প্রচ্ছদ » স্ক্রল » আনু মুহাম্মদ বললেন, কাশ্মীরের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আগেই কেড়ে নেয়া হয়েছে বিশেষ মর্যাদা শুধু সংবিধানেই ছিলো, বাস্তবে নয়


আনু মুহাম্মদ বললেন, কাশ্মীরের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আগেই কেড়ে নেয়া হয়েছে বিশেষ মর্যাদা শুধু সংবিধানেই ছিলো, বাস্তবে নয়

আমাদের নতুন সময় : 07/08/2019

লিয়ন মীর : ভারতের সংবিধান থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরের যে বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয়ার কথা বলা হচ্ছে, এই মর্যাদা আসলে অনেক আগেই কেড়ে নেয়া হয়েছে। মর্যাদা শুধু আক্ষরিক অর্থে সংবিধানের পাতায়ই ছিলো কিন্তু বাস্তবে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা এবং জনগণের ন্যূনতম কোনো গণতান্ত্রিক অধিকার ছিলো না বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতির শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ।

তিনি বলেন, ভারত রাষ্ট্র অতীতে কাশ্মীরীদের অধিকার বারবার কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু এবার ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরের জনগণের সবটুকু কেড়ে নেয়া হলো। বাস্তবে জম্মু-কাশ্মীরের জনগণের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার বা বিশেষ মর্যাদা না থাকলেও সংবিধানে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা থাকার ফলে তারা তাদের অধিকার আদায়ের দাবি তুলতে পারতো। কিন্তু সংবিধান থেকে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সংক্রান্ত ৩৭০ ধারা বাতিল করে তাদের অধিকার আদায়ের কথা বলার ভাষা কেড়ে নেয়া হলো।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কাশ্মীরের বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অবস্থা যেমন অমানবিক ভয়াবহ ছিলো, বছরের পর বছর ধরে জম্মু-কাশ্মীর সেই ভয়াবহ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ৩৭০ ধারা বাতিলের কারণে কাশ্মীর একটা ভয়াবহ যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। সৃষ্ট এই পরিস্থিতিতে সহিংসতা, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা বৃদ্ধি পাবে এবং গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]