• প্রচ্ছদ » শেষ পাতা » উন্নত বিশ্বের মতো নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, জানালেন বিজ্ঞানমন্ত্রী


উন্নত বিশ্বের মতো নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে, জানালেন বিজ্ঞানমন্ত্রী

আমাদের নতুন সময় : 07/08/2019

রাশিয়ার সঙ্গে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি সই

আনিস তপন : মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিপি) জ্বালানি সরবরাহের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে যেভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়ন করা হয়, সেই একই ব্যবস্থাপনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

রাশিয়ার পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান টিভিএল জয়েন্ট স্টক কোম্পানি এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। ইয়াফেস ওসমান বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। এজন্য তিনি উদ্যোগও নিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর পুনরায় পারমাণবিক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেন এবং রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি হয়। জাপানের ফুকুশিমায় পারমাণবিক বিদ্যুকেন্দ্রে দুর্ঘটনার পর আমি নিজে সেখানে গিয়েছি। ফুকুশিমায় দুর্ঘটনার পর কোনো সমস্যা হয়নি, একজন মানুষেরও প্রাণহানি হয়নি।

মন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি কোর ক্যাচার স্থাপন হচ্ছে। ফলে কোনো দুর্ঘটনা হলে চুল্লি থেকে কোনো গ্যাস বের হতে পারবে না।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্পের নিরাপত্তা জাতীয় নিরাপত্তার কাছাকাছি। তাই সারা পৃথিবীতে যেভাবে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হয়, আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সেভাবেই চুক্তি করেছি। মানুষের ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো সুযোগ নেই, সামান্য সম্ভাবনা নেই। এখানে সবধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এই প্রকল্পটি অন্য পাঁচটি প্রকল্পের মতো নয়। আমরা এমন কিছু করছি না, যা এদেশের মানুষের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়। ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা চিন্তা করেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে এই প্রতিবেদককে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিচালক ড. মোহাম্মদ শওকত আকবর জানান, দু’দেশের মধ্যে এই জ্বালানি চুক্তিতে নিউক্লিয়ার ফুয়েলের মূল্য নির্ধারণে  মেথডোলজি স্থির করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহের সময় বিশ্ববাজারে বিদ্যমান দর অনুযায়ী এবং প্রতি ১০ বছর পর পর পুনরায় মূল্যায়ন ও নির্ধারণ করা যাবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রাশিয়ান নিউক্লিয়ার ফুয়েল সাপ্লাই কোম্পানির (টিভিইল) সঙ্গে ফুয়েল সাপ্লাইয়ের প্রাথমিক চুক্তি সই হয়। এক গ্রাম ইউরেনিয়ামে প্রায় ২৪ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রায় তিন মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হয়। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন-রোসাটম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়নকরছে। দুই ইউনিট বিশিষ্ট এই পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ৩+ প্রজন্মের রিয়্যাক্টরভিভিইআর-১২০০ স্থাপন করা হবে। এর প্রথম ইউনিটের কাজ শেষ হবে ২০২৩ ও দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৪ সালে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]