• প্রচ্ছদ » » ভারত সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত কি জ্বলন্ত আগুনে ঘৃতাহুতি হয়ে উঠবে?


ভারত সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত কি জ্বলন্ত আগুনে ঘৃতাহুতি হয়ে উঠবে?

আমাদের নতুন সময় : 07/08/2019

মির্জা ইয়াহিয়া

প্রকৃতির দানের দিক দিয়ে পৃথিবীর ভ‚-স্বর্গ কাশ্মীর। কিন্তু উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের যে ক্ষত, তার কুফল হিসেবে নরকের মতোই পরিস্থিতি সেখানে। একদিকে ভারত অধিকৃত কাশ্মীর, আর অন্যদিকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর… সর্বত্রই আসলে অস্ত্রের ঝন্ঝনানি। কারণ একে ঘিরে দু’টি দেশ সর্বদা যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতির মধ্যে আছে। এর ফাঁকে পড়ে সাধারণ কাশ্মীরীদের আসলে পরাধীন এক জীবন প্রবাহিত করতে হচ্ছে।
কাশ্মীর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। কারণ ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করা হচ্ছে। অথচ এ অনুচ্ছেদ কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলো। এর বলেই জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অন্য রাজ্যের চেয়ে বেশি স্বায়ত্তশাসনে ছিলো। এ অনুচ্ছেদের কারণে কাশ্মীরের ছিলো নিজস্ব সংবিধান, ছিলো আলাদা পতাকার স্বাধীনতা। এর সুবিধা নিয়ে পররাষ্ট্র সম্পর্কিত বিষয়াদি, প্রতিরক্ষা এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্যান্য সব কিছুতেই স্বাধীন ছিলো ভারত-অধিকৃত কাশ্মীর।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য কার্যত দুই টুকরো হতে চলেছে। লাদাখ হবে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। যার কোনো বিধানসভাও থাকবে না। অন্যদিকে জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা পর্যন্ত হারাচ্ছে। তা হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। তার থাকছে কেবল বিধানসভা। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল চালাবেন দু’জন লেফটেন্যান্ট গভর্নর। এর মানে কাশ্মীর যে অস্ত্রের ঝন্ঝনানির মধ্যে আছে, সে বিষয়টি আরও গতি পাবে। কাশ্মীর নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের যে অপরাজনীতি। যে যুদ্ধবাদী নীতি তার অবসান চাই আমরা। কাশ্মীরীরা তাদের মতো করে স্বাধীনতা ভোগ করবে… এটাই পৃথিবীর মানবতাবাদীদের আহŸান। যুগ যুগ ধরে চলা রক্তক্ষয় বন্ধ করতে হবে। কিন্তু ভারত সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত কী জ্বলন্ত আগুনে ঘৃতাহুতি হয়ে উঠবে? পরিস্থিতি বুঝতে আরও অপেক্ষা করতে হবে আমাদের। তবু ভারত বা পাকিস্তান কারও অস্ত্রেই যেন আর নিরীহ কাশ্মীরীদের প্রাণ না ঝরে, রক্তপাত না হয়, তেমন একটি পরিবেশ দেখার প্রত্যাশা করে যাবো আমরা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]