• প্রচ্ছদ » » সিইসি কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদাররা নৈতিকতার কোন সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছেন?


সিইসি কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদাররা নৈতিকতার কোন সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আছেন?

আমাদের নতুন সময় : 07/08/2019

আলী রীয়াজ

নিয়ম তৈরি করে, বাজেটে বরাদ্দ রেখে, সেই বাজেট অনুমোদন করিয়ে, কাগজপত্রে স্বাক্ষর করে সাংবিধানিক পদের অধিকারী পাঁচজন ব্যক্তি আরো কয়েকজন আমলাকে সাথে নিয়ে ‘প্রশিক্ষণ’ দেওয়ার নামে দুই কোটি টাকা নিয়েছেন জনগণের দেয়া ট্যাক্সের অর্থ থেকে। এরা হচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা; চার নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও কবিতা খানম; সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ; অতিরিক্ত সচিব মোখলেসুর রহমান এবং দুই যুগ্ম সচিব আবুল কাশেম ও কামরুল হাসান। এর সঙ্গে ছিলেন আরো চারজন যুগ্ম সচিব। এরা যে সুপারম্যানের চেয়েও দ্রæত গতিতে চলতে পারেন সেই হিসেব পাওয়া গেছে প্রথম আলো’তে প্রকাশিত হারুন আল রশীদ-এর প্রতিবেদনে (‘বক্তৃতার নামে সিইসি, কমিশনার, সচিবদের পকেটে দুই কোটি টাকা’, ৬ আগস্ট ২০১৯)। অন্যথায় প্রতি জনপ্রতি দিন ১৪টা জায়গায় গেলেন কীভাবে? সম্ভবত যা ‘নেই’ তাকেও কি করে ‘আছে’তে পরিণত করা যায় সেটাই প্রশিক্ষণের বিষয় ছিলো। ‘এই যে দেখুন আমি নেই, কিন্ত আবার কাগজেপত্রে আমি আছি’ এই ছিলো প্রশিক্ষণ। এই টাকা এই ভাবে হাতিয়ে নেয়ার প্রক্রিয়া একদিনে হয়নি।
বুঝতে অসুবিধা হয় না তাঁরা জেনেশুনে, বুঝে, পরিকল্পনা করেই এই সব ঘটিয়েছেন। আইনের চোখে তা দুর্নীতি কিনা সেটা তো পরের বিষয়; কিন্ত নৈতিকতার কোন সিঁড়িতে তাঁরা দাঁড়িয়ে আছেন? এই যে ‘প্রশিক্ষণ’ তার একটি ছিলো জাতীয় সংসদের ‘নির্বাচনের’ প্রশিক্ষণ। বরাদ্দ হয়েছিলো ৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। বিনিময়ে নির্বাচন কমিশন এবং তার এই সব কর্মতৎপর কমিশনার এবং কর্তাব্যাক্তিরা কী দিয়েছেন সেটা তো সবার জানা আছেÑ এরা রাতকে দিন করেছেন। আক্ষরিক অর্থেই এরা ২৯ ডিসেম্বরের রাতকে ৩০ ডিসেম্বরের দিনে পরিণত করেছেন। ‘
নেই, তবু আছি’র প্রশিক্ষণের কারণেই যে ভোটাররা নেই তারাও কাগজেপত্রের হিসেবে সশরীরে, কোথাও কোথাও একশ শতাংশও হাজির হয়েছেন। প্রশিক্ষণটা হাতে কলমে করিয়েছেন বলেও তাঁরা দাবি করতে পারবেন এবং তা যে কার্যকর তা তো দেখাই গেছে। হাজার কোটি টাকা লুটে নেওয়ার এই সময়ে দুই কোটি টাকা সামান্য, খুব সামান্য পরিমাণ অর্থ। কিন্ত সেটা তো বিষয় নয়, রাতকে দিন বানানোর প্রশিক্ষণের এই সব ‘বিশেষ বক্তাদের’ কাছে কি জানতে চাওয়া যায় যাদুমন্ত্রটা কী? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]