• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » এডিস মশার বিস্তার রোধে কীটনাশক প্রধান হাতিয়ার না বাণিজ্যিক কারণে কীটনাশকের এতো প্রাধান্য, বললেন কীটতত্ত্ববিদ


এডিস মশার বিস্তার রোধে কীটনাশক প্রধান হাতিয়ার না বাণিজ্যিক কারণে কীটনাশকের এতো প্রাধান্য, বললেন কীটতত্ত্ববিদ

আমাদের নতুন সময় : 08/08/2019

তাপসী রাবেয়া : ডিমের খোসায় জমা পানিতে ২০০ থেকে ১০০০ হাজার এডিস মশার জন্ম হয়। এডিস জন্মাতে ২ মিলি থেকে ২০০ মিলি জমে থাকা পানিই যথেষ্ট। মশার জীবন চক্রে জলজ অংশেই এডিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব, বললেন কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, শুধুমাত্র পানি জমতে না দিয়েই এই মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। প্রতিসপ্তাহে বাড়ির আশপাশ পরিস্কার রেখেই এটি করা যায়। মশা উড়ন্ত অবস্থায় বাঁচে মাত্র ১৫ দিন। এই সময়ে সে সর্বোচ্চ চারবার মানুষের রক্ত খাওয়ার জন্য কামড়াতে পারে। এডিস শুধুমাত্র ডিম পরিপক্ক করতে মানুষের রক্ত খায়।
এই গবেষক বলেন, কীটনাশক নিয়ে যে হুজুগ শুরু হয়েছে তার বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে। এডিস কখনই কীটনাশকে নিয়ন্ত্রিত থাকে না। শুরুতেই নিধন সম্ভব সেই মশাকে উড়ন্ত অবস্থায় যেতে দেয়া দায়িত্বহীনতা। প্রতিটি বাড়িতে যদি এডিসের জন্মস্থলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয় তবে কীটনাশক প্রয়োজন নেই। পরবর্তী ধাপের জন্য প্রয়োজন কীটনাশক। ব্যবসায়ীরা নানাভাবে কীটনাশকের ব্যবসায় মেতে উঠেছেন বলেও মন্তব্য করেন এই গবেষক।
কবিরুল বলেন, পরিস্থিতি উন্নতি হচ্ছে, মানুষ সতর্ক হয়ে উঠেছে। সম্মিলিত এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে আগামী ১৫ দিনের ভেতরেই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আসবে। মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রথম করণীয় ১. পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা, ২. জৈবিক নিয়ন্ত্রণ ৩. কীটনাশকের ব্যবহার এবং ৪. কমিউনিটি ইনভলবমেন্ট। এই ৪টিই একযোগে ব্যবহার করা প্রয়োজন।
তবে এই মুহূর্তে কীটনাশক ব্যবহার বা ফগিং বন্ধ করা যাবে না। উ—ন্ত মশা যেগুলো ভাইরাস ইনফেক্টেট তাদের মেরে ফেলা খুবই জরুরি। সঙ্গে পরিবেশগত ব্যবস্থাপনা ও সোর্স রিডাকশন করতে হবে। মশা নিয়ন্ত্রণে জনগণকে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন তিনি। সম্পাদনা : রেজাউল আহসান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]