গাবতলীর হাটে উট-দ্ম্বুা দেখতে দর্শনার্থীর ভীড় বেশি

আমাদের নতুন সময় : 08/08/2019

শাহীন খন্দকার : প্রতি বছর কোরবানির ঈদ এলেই গাবতলীর পশুর হাটে গরু, খাসি, মহিষের পাশাপাশি উট-দুম্বার ক্রেতাও থাকে । কোরবানি দেয়ার জন্য কেউ কেউ উট আর দুম্বা বেছে নেন!  তবে এ সংখ্যা খুবই সীমিত।  হাটের ব্যাপারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভারতের রাজস্থান, হরিয়ানা, গুজরাটের মরুভূমি এলাকা থেকে উট-দুম্বা আমদানি করা হয়। কখনো কখনো উট আসে পাকিস্তান থেকেও। দেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোর, কুড়িগ্রাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থলবন্দর হয়ে উট ও দুম্বা বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

গতকাল বুধবার  গাবতলীর পশুর হাটে দেখা যায় ৬টি উট উঠেছে। এর একটি গত মঙ্গলবার একটি বিক্রি হয়েছে আটলাখ টাকায়। হাটে লোকজনের উপস্থিতি দেখে উটগুলো কখনো বসছে, আবার দাঁড়িয়ে  থাকছে নিস্পলক দৃষ্টিতে! আর উটগুলো থেকে একটু দূরেই বাধা আছে দুম্বা। এরাও বেশ শান্ত, তবে হাত দিয়ে স্পর্শ  করলেই এরা প্যাচানো শিং নিয়ে এগিয়ে আসে।

প্রতিটির দাম চাইছেন আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। গাবতলী হাটের এবারের দুম্বা ও উটের মালিক হচ্ছেন ব্যাপারী মো. মালিক  আমজাদ।  তিনি জানালেন, কোরবানি উপলক্ষে এই বছর গাবতলীতে পশু আসা শুরু হলেও বিকিকিনি তেমনটি নেই। তিনি তিনটি উট এনেছেন পাকিস্তান থেকে বলে জানান। তার উট আনতে প্রতিটি উটের পিছনে খরচ পড়েছে ১২ থেকে ১৪ লাখ ৫০ হাজারের মতো।

তবে উট দুম্বা নিয়ে উঠতি বয়সের তরুণদের বেশ উচ্ছ্বাস দেখা গেলো হাটে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে। মানুষের ভীড় উটগুলোর চারপাশে। কেউ কেউ আবার সেলফি তুলতে ব্যস্ত। অনেকে আবার ছুঁইয়ে দেখছে! সাভার কলেজের এক ছাত্র, তাঁকে দেখা গেলো বন্ধুদের সাথে লাইভে উটের সামনে থেকে। প্রশ্ন করলে বলেন, উটতো মরুভূমির প্রাণী, সচরাচর দেখা যায় না। তাই বন্ধুদের সাথে লাইভে গিয়ে সবাইকে দেখালাম। সম্পাদনা : আবদুল অদুদ

 

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]