• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » ডেঙ্গু ঠেকাতে দক্ষিণের মেয়রকে কলাবাগান, কাঁঠালবাগান ঢাবিতে বেশি কাজ করতে হবে, বললেন গবেষক আতিক


ডেঙ্গু ঠেকাতে দক্ষিণের মেয়রকে কলাবাগান, কাঁঠালবাগান ঢাবিতে বেশি কাজ করতে হবে, বললেন গবেষক আতিক

আমাদের নতুন সময় : 08/08/2019

তাসকিনা ইয়াসমিন : আমি এ পর্যন্ত ঢাকা শহরের ১৫৩ এলাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখতে পেয়েছি। ম্যাপে যেসব এলাকায় গাঢ় লাল চিহ্ন আছে সেই সব এলাকায় প্রকোপ বেশি। দক্ষিণের মেয়র ডেঙ্গু প্রতিরোধে কাজ করতে চাইলে তাকে এখন কলাবাগান, কাঁঠালবাগান, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বেশি কাজ করতে হবে। এই এলাকার মশাগুলোতে পুরোপুরি ধ্বংস করতে হবে। তাহলে এই এলাকাগুলোতে নতুন করে আর ডেঙ্গু রোগী হবে না জানালেন গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে ডেঙ্গুর প্রকোপ এলাকা চিন্থিতকারি গবেষক আতিক আহসান। তিনি একজন ফ্রিল্যান্সার।
তিনি বলেন, ঢাকার এয়ারপোর্ট এলাকায় ডেঙ্গুর সংখ্যা কম পাওয়া গেছে। এই জায়গায় এডিস মশার বিস্তার কম। একটি এডিস মশার বিস্তার ৪০০ মিটার রেডিয়াসের মধ্যে, এর বেশি হয়না। একটি মশা কমপক্ষে ৭০ জন মানুষকে কামড়াতে পারে।
তিনি বলেন, আমি মেডিক্যাল এনথ্রোপলজি নিয়ে পড়াশোনা করেছি, তাই কিভাবে ম্যাপ তৈরি করতে হয় এ বিষয়টি জানি। গত ২/৩ দিন আগে আমি ফেসবুকে ডেঙ্গু মশা কোথায় আছে এমন ম্যাপ বানাবার ঘোষণা দেই। তখন আমার প্রত্যাশা ছিল কেউ না কেউ আমার কথায় সাড়া দেবে। ঠিক এরপরই আমাকে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামে পার্সোনাল সেক্রেটারি ফোন করেন। তিনি এই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ দেখান। আমি ভেবেছিলাম দেশে এত এত অর্গানাইজেশন আছে এই ম্যাপ বানানোর কাজটা কেউ না কেউ করছে। কিন্তু আমি এখনও সেটা দেখতে পাইনি।
তিনি বলেন, আমি এই ম্যাপ তৈরির ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই যাদের স্বজনরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে তারা আমাকে তথ্য পাঠাচ্ছে। আমি ফেসবুকে মানুষের অনেক সাড়া পাচ্ছি। গত ৪৮ ঘন্টা ধরে সবাই যে তথ্য পাঠাচ্ছে এতে আমি নতুন কোন এলাকার তথ্য পাইনি। প্রথমদিকে পাওয়া এলাকাগুলোই ঘুরে ফিরে আসছে। নিজে লালমাটিয়া এলাকায় থাকার সুবাদে তিনি আশেপাশের প্রতিবেশীদের সবাইকে নিয়ে নিজেরাই ডেঙ্গু মশা প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]