• প্রচ্ছদ » » মশারি খাটানো, পানি ফুটানো আর কতোদিন?


মশারি খাটানো, পানি ফুটানো আর কতোদিন?

আমাদের নতুন সময় : 08/08/2019

ড. কালাম আজাদ, অস্ট্রেলিয়া থেকে

ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত পড়াশোনা হোমটাউন ভেড়ামারায়। তারপর এরশাদবিরোধী আন্দোলনের কারণে দীর্ঘ সাত বছরের ছাত্রজীবন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর কর্মজীবনের প্রথম বারো বছর ঢাকায়। এই দীর্ঘ সময়ে কখনো মশারি ছাড়া রাতে ঘুমিয়েছি বলে মনে পড়ে না। এরপর দু হাজার তিনে উচ্চ শিক্ষার্থে নিউজিল্যান্ডে আসি। প্রথম একুশ দিন বন্ধু কবিরের বাসায় ছিলাম। ওরা ওদের একটা রুমে আমার শোবার ব্যবস্থা করে। প্রথম রাতে শোবার আগে জিজ্ঞেস করতেই কবির বললো, এদেশে মশারি দরকার হয় না। তারপর বুঝলাম মশারি ছাড়া ঘুমানোর কী মজা। এছাড়া দেখলাম সবাই সরাসরি ট্যাপের পানি পান করছে। পানি ফুটিয়ে খাওয়ার দরকার নেই। এর ছয় বছর পর দেশে ফিরলাম দুই মাসের জন্য। ছ’বছরের অভ্যাসের কারণে শোবার সময় মশারি খুবই বিরক্ত লাগছিলো। আরেকটা সমস্যা হচ্ছিলো খাবার পানি নিয়ে। ভুল করে বারবার ট্যাপের পানি খেতে যাচ্ছিলাম। একপর্যায়ে মশারি নিয়ে আমার বিরক্তি এবং ট্যাপের পানি খাবার ইচ্ছা নিয়ে ওয়াইফের বোনের মেয়ে রূপসার প্রশ্নের কিছু মুখোমুখি হই। ও বিশ্বাসই করছিলো না যে, পানি না ফুটিয়ে খাওয়া যায় আর মশারি ছাড়া ঘুমানো যায়। যা হোক, আমার এ লেখার উদ্দেশ্য নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের তুলনা করা নয়। বরং এখানে আলোকপাত করতে চাই যে, আমরা কীভাবে আমাদের নগরজীবনের প্রচলিত ও সত্য অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছি এবং বঞ্চিত হতে হতে সেই অধিকারগুলোর কথা ভুলেও যাচ্ছি। জনগণ তাদের প্রতিনিধিদের ভোট দেয়, ট্যাক্স দেয়। জনগণ কাউকে জোর করে ক্ষমতায় বসায় না। বরং নেতারা নানা প্রতিশ্রæতি দিয়ে ভোট নেয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ক্ষমতায় আসার পর সব দায়িত্ব তাদের। এক্ষেত্রে জনগণকে কর্তব্যগুণে গুণান্বিত করার দায়িত্ব নেতাদের। তা না হলে আজ ডেঙ্গু, কাল কি আসছে জানি না। ঊসধরষ: শধুধফ৯@মসধরষ.পড়স




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]