• প্রচ্ছদ » » যারা কাশ্মীরি ললনাদের দুঃখ দেখে ‘আজাদী কাশ্মীর’ সেøাগান দিচ্ছেন তারা কি তা বুঝে দিচ্ছেন?


যারা কাশ্মীরি ললনাদের দুঃখ দেখে ‘আজাদী কাশ্মীর’ সেøাগান দিচ্ছেন তারা কি তা বুঝে দিচ্ছেন?

আমাদের নতুন সময় : 08/08/2019

শেখ মিরাজুল ইসলাম

১৯৪৭ সালে সীমান্ত গান্ধী আবদুল গাফফার খান অখÐ ভারত চেয়েছিলেন। কিন্তু কাশ্মীর ঠিকই ভাগ করা হলো আজাদ কাশ্মীর (পাকিস্তান অংশ) ও জম্মু-কাশ্মীর (ভারত অংশ) হিসেবে। কাশ্মীরী মুসলমানদের মধ্যে তৈরি হলো দ্বিধা। মূলত দ্বিজাতিতত্তে¡র বিষ পুরো মাত্রায় বজায় থাকলো ভ‚স্বর্গে। ভারতের অন্যান্য মুসলমানদের তুলনায় কাশ্মীরী মুসলমানদের প্রত্যাশা ছিলো অনেক বেশি। ধর্মীয় আত্মপরিচয়ের সংকটের সঙ্গে যুক্ত হলো কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দূরত্ব ও সন্দেহ। ভারতের কাশ্মীর অংশের এই অভ্যন্তরীণ সংকটের ফায়দা নিতে থাকলো পাকিস্তান। ভারতের সহায়তায় বাংলাদেশ নামের স্বাধীন রাষ্ট্রের অভ্যুদয় যারা আজও মনেপ্রাণে মানতে পারেনি। এতোদিন ভারত সরকার সাংবিধানিক কাঠামোয় কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন দিয়ে আসলেও স্বাধীনতাকামী কাশ্মীরীদের জঙ্গি আচরণ ঠেকিয়ে রেখেছিলো। কিন্তু লড়াই ও গুপ্ত হত্যায় দুই পক্ষে প্রাণহানি ঠেকানো যায়নি। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুবাদে বিজেপি সরকার বুঝেশুনে সিদ্ধান্ত নিলো সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরকে তারা পুরোপুরি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে আনবে। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচে পুরো জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানো ছিলো সাধারণ দৃশ্য। এটা যেকোনো মূল্যে থামানো প্রয়োজন মনে করছে বিজেপি সরকার। সুতরাং কাশ্মীরিদের জন্য তাদের স্বাধীনতার লড়াইটা মূলক-এ-জং হলেও ভারতের বিজেপি সরকারের কাছে এটা হিন্দু জাতীয়তাবাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন। খোলাসা করে বললে এটা একান্ত তাদের নিজস্ব ব্যাপার। কংগ্রেস এখন যতোই বলুক… ‘প্রথমে রাজ্যের নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেয়া হবে, রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা হবে, বিধানসভা ভেঙে দেয়া হবে, বিধানসভার ক্ষমতা সংসদের হাতে যাবে, সরকার সংসদে একটা প্রস্তাব আনবে, সেটাতে সংসদ অনুমোদন দেবে এবং রাজ্য আর থাকবে না’। (পি চিদাম্বরম, প্রবীণ কংগ্রেস নেতা), আমার ব্যক্তিগত ধারণা এই সংকট রাজনৈতিকভাবে সমাধান সম্ভব নয়। এখন এই লড়াই আরও রক্তক্ষয়ী হবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে যারা আপেলের মতো লাল টুকটুকে কাশ্মীরি ললনাদের দুঃখ দেখে ‘আজাদী কাশ্মীর’ ¯েøাগান দিচ্ছেন তারা কি বুঝে দিচ্ছেন? ¯্রফে ধর্মের দোহাই দিয়ে? তাই যদি হয় প্রিয়া সাহার ভয় পাওয়াটা কি তবে অমূলক ছিলো? এই বিষয়ের আবেগ পরিহার করে দয়া করে ভালো করে ইতিহাস পড়ুন। এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারপর গ্যালারিতে ঝালমুড়ি চানাচুর নিয়ে বসে পড়ুন। আর যদি পারেন নিজ দেশের নৈশ ভোটের সরকারের কাজ-কারবারে মন দিন। কারণ বিরোধীদল যেহেতু হাঁটু ভাঙ্গা, তাই দেশের জন্য গঠনমূলক কিছু করার চেষ্টা করুন। আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি ফিলিস্তিন ও কাশ্মীর এক বিষয় নয়। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]