সোমেশ্বরী নদীতে বালু উত্তোলনে ঝুঁকির মধ্যে দূর্গাপুর শহর

আমাদের নতুন সময় : 08/08/2019

শাহীন খন্দকার : নেত্রকোণা জেলার সূসং দুর্গাপুর উপজেলা সদরে বয়ে যাওয়া সোমেশ্বরী নদীর সেতুর কাছ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন চলছে। এতে ঝুঁকির মধ্যে দূর্গাপুর শহরসহ, হাটবাজার, গ্রামসহ বেশকয়েকটি ইউনিয়ন ও রয়েছে নদীর ওপর নির্মিত সেতু। সোমেশ্বরীর নদীর বেড়িবাধসহ সেতু মুখ থেকে বালু উত্তোলন চলছে। এতে ঝুঁকিতে রয়েছে সেতু ও বেড়িবাঁধ । বেড়িবাঁধ ভেঙে ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ী বৃষ্টির ঢল যদি ঢুকে পড়ে সর্বনাশ ঘটে যাবে, চলে যাবে দূর্গাপুর শহরসহ কয়েকটি ইউনিয়ন সোমেশ্বরীর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর সোমেশ্বরী নদীর পাঁচটি বালুমহাল ১৩ কোটি টাকার ওপরে ইজারা দেয়া হয়েছে।
এর মধ্যে ১ নম্বর ঘাট বিজয়পুর-ভবানীপুর ৫ কোটি ২০ লাখ টাকার অনুমোদন পান অঞ্জন সরকার নামের একজন ঠিকাদার। ২ নম্বর ঘাট পৌর শহরের তেরিবাজার থেকে শিবগঞ্জ ৪ কোটি ৬ লাখ টাকার অনুমোদন পান আলাল সর্দার। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবাই ক্ষমতাসীন দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাদের সঙ্গে কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা-কর্মীও রয়েছেন। ইজারাদাররা প্রভাবশালী হওয়ায় কোনো রকম নিয়ম-নীতি না মেনে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন করেছেন। তারা স্থানীয়দের সুবিধা-অসুবিধা গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
চর মোক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি রায়হান মিয়া বলেন, চার দিন ধরে সেতুটির কাছে ও তাদের বাড়ির পেছনে নদীর তীর থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে শত শত লোক বাধা দিলেও কাজ হচ্ছে না। মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউএনও, থানা-পুলিশ সবাইকে জানানো হয়েছে। কিন্তু বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না।
এদিকে জেলা প্রশাসক মঈন উল ইসলাম বললেন, ‘বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। অবৈধ এবং আইন বর্হিভূত ভাবে বালু উত্তোলন করে থাকলে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ সম্পাদনা : ওমর ফারুক, আবদুল অদুদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]