• প্রচ্ছদ » » দেশের আমজনতা কাশ্মীর ইস্যুতে বিভক্ত, কেন?


দেশের আমজনতা কাশ্মীর ইস্যুতে বিভক্ত, কেন?

আমাদের নতুন সময় : 10/08/2019

মুনশি জাকির হোসেন : গ্রামের, মহল্লার চায়ের দোকানে একধরনের কর্মবিমূখ আলোচকের দেখা মেলে! তারা পারলে ২৪ ঘণ্টাÑ কার কি আছে, কার কি নেই, কার আচরণ কেমন হওয়া উচিত, কার ঘরে জানালা আছে তো পর্দা নেই, কার ঘরে ছাগল ভ্যা ভ্যা করে, কার মুরগী সকালে ডাকে, ডাকে না, কার কুত্তা ঘেউ ঘেউ করে বেশি! এ রকম অন্যের ঘরের হাজারো বিষয় নিয়ে মশগুল থাকে! এই লোকগুলো কখনও নিজের শীর্ণ অবস্থা, নিজের অর্থনৈতিক জীর্ণতা নিয়ে চিন্তা করে না! ফলত, তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন আর হয় না। যে তিমিরে ছিলো তারা সেই তিমিরেই পড়ে থাকে! বাংলাদেশের আমজনতা কাশ্মীর ইস্যুতে আজ বিভক্ত! অধিকাংশই কাশ্মীরের পক্ষে, অল্পসংখ্যক ভারতের পক্ষে। অথচ এই দুই পক্ষেরই কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা, যোগ্যতা কিছুই নেই। তাদের সাথে কথা বললে মনে হয় তারা সকলেই নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য, সকলেরই ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা আছে। তাদের হাতে চীনের গণবাহিনী থেকেও বিশাল রিজার্ভ ফোর্স আছে! মনে হবে তাদের সুপারসনিক কনকর্ড বিমান আছে, তাদের পুকুরে আস্ত সাবমেরিন আছে, তাদের উঠোনে সারি সারি যুদ্ধ বিমান রেডি আছে। মনে হবে তাদের হাতে ট্রাম্পের থেকেও ক্ষমতা বেশি। তারা ইচ্ছা করলেই রিমোট কন্ট্রোলে চাপ দিয়ে ১২ হাজার মাইল দূরের সকল সমস্যা সমাধান করে দিতে পারবে! তারা যেটি পারে না সেটি হলো, নিজের পাড়া, মহল্লার হাজারো সমস্যার সমাধান করতে। একেই বলে, পাগলের সুখ মনে মনে। তাদের কাÐজ্ঞানহীন কর্মকাÐ দেখে একটি পুরনো গল্প মনে পড়লো। বাসে প্রচÐ ভিড়। বাসের মধ্যে তীব্র গরমে জীবন যায় যায়। ঘামে ঘামে শরীর শেষ! এর মধ্যেই জনৈক ভদ্রলোকের চুলকানি দেখা দিলো। যথারীতি চুলকানো শুরু করলো। কিছুক্ষণ পরেই পাশের মহিলা ওই ভদ্রলোককে কষে একটা চড় বসিয়ে দিলো। হতভম্ব ভদ্রলোক কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে প্রশ্ন করলো, কেন তাকে চড় মারা হলো? মহিলা জবাবে বললো, আমার শরীরে খামছি দিচ্ছেন কেন? ভদ্রলোক বুঝতে পারলো, এতো সময় চুলকানোর পরও কেন মজা পাচ্ছিলেন না! ভুল জায়গাতে চুলকানি দিলে মজা তো দূরের কথা, চড়-থাপ্পড়ও জুটতে পারে। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]