• প্রচ্ছদ » » ১৯৪৭ দেশভাগের প্রাক্কালে পাহাড়ি নেতৃত্ব চেয়েছিলো ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে


১৯৪৭ দেশভাগের প্রাক্কালে পাহাড়ি নেতৃত্ব চেয়েছিলো ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে

আমাদের নতুন সময় : 10/08/2019

দীপায়ন খিসা : ভারতীয় কাশ্মীর নিয়ে এই দেশীয় বামপন্থীরা আবার সরব হচ্ছেন। তাদের এই সরব হওয়াটা কি মার্কসীয় ব্যাকরণসম্মত। নাকি বামপন্থার আড়ালে তেঁতুল মনন ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া করে। পাকিস্তান অংশের কাশ্মীর, চীন নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর নিয়ে বামপন্থীরা কোনোকালে কিছু বলেছিলো কি? কাশ্মীরি মুক্তি সংগ্রামের দার্শনিক আওয়াজ কি পৃথিবীর মুক্তিকামী জাতিসমূহের দর্শনকে ধারণ করে। কাশ্মীরে কি কোনো সোস্যালিস্ট পার্টি আছে। নিদেনপক্ষে কোনো প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী শক্তি কি কাশ্মীরে বিদ্যমান। তাহলে কাশ্মীরি মুক্তি সংগ্রাম বলে বামপন্থীরা যে আওয়াজ তুলছেন তা তো ধর্মীয় ঝাÐাকেই পাকাপোক্ত করে। আমাদের বামপন্থা আন্দোলন এখনো ধর্মনিরপেক্ষ হতে পারলো না। ২. ১৯৪৭ দেশভাগের প্রাক্কালে পাহাড়ি নেতৃত্ব চেয়েছিলো ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে। ৯৮ শতাংশ অমুসলিম অধ্যুষিত পাহাড়ের মানুষের ধারণা ছিলো তারা ভারতে অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছেন। ৯৮ শতাংশ অমুসলিম অধ্যুষিত এলাকা হওয়া সত্তে¡ও পার্বত্য চট্টগ্রামকে পাকিস্তানের অংশ করে দেয়া হয়। পাহাড়ি নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। তাই রাঙামাটিতে উড়ানো হয় ভারতীয় পতাকা আর বান্দরবানে বার্মার পতাকা। পাকিস্তান সরকার সেনাবাহিনী পাঠিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। পাহাড়ের রাজারা তাদের রাজকীয় মর্যাদা অক্ষুণœ রাখার শর্তে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তি মেনে নেন। ফলস্বরূপ ব্রিটিশ শাসনের বিশেষ ধারা ‘শাসনবহিভর্‚ত এলাকার মর্যাদা’ সংরক্ষিত থাকে। কিন্তু ফজলুল কাদের চৌধুরীর প্ররোচনায় পাকিস্তান সরকার পরবর্তীতে এই বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে নেয়। কাশ্মীর নিয়ে বঙ্গীয় সন্তানরা রক্ত গরম করছেন। হে বঙ্গীয় সন্তানরা পাহাড়ের এই ইতিহাস নিয়েও রক্তে একটু নাচন ধরাবেন কি? ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]