• প্রচ্ছদ » » ঈদের দিন খুব ভোরে উঠতাম, পুরো শরীরে আতর ও চোখে সুরমা লাগাতাম


ঈদের দিন খুব ভোরে উঠতাম, পুরো শরীরে আতর ও চোখে সুরমা লাগাতাম

আমাদের নতুন সময় : 11/08/2019

হাসান আজিজুল হক

ছেলেবেলার জীবন কাটে একভাবে, আর বড় হয়ে কাটে আরেকভাবে। কোরবানির ঈদের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। অন্য আট-দশটা সাধারণ দিনের চেয়ে ঈদের দিন খুব ভোরে উঠতাম। পাড়ার সব ছেলেদের সঙ্গে গ্রামের পুকুরে গোসল করতাম। গোসল সেরে বাসায় এসে নতুন একটা শার্ট গায়ে দিতাম এবং পুরানো একটা প্যান্ট পরতাম। শরীরে আতর এবং চোখে সুরমা লাগাতাম। তখন সবাই মিলে মনের আনন্দে ঈদগাহে যেতাম, নামাজ আদায় করতাম। কোরবানির গরু আগে থেকেই লালন-পালন করে রাখা হতো। সেটাকেই কোরবানি দিতাম। আগে থেকেই বাবা-চাচারা ঠিক করে রাখতেন, কোন গরুটাকে কোরবানি দেয়া হবে। এখনকার মতো গরু কিনে কোরবানি দেয়ার প্রচলন ছিলো কম। প্রায় প্রতিটি বাড়িতে গোয়াল থাকতো এবং তখন গরুর সংখ্যা অনেক কম ছিলো। কী কারণে কোরবানি দেয়া হয়, সম্ভবত ৯০ শতাংশ মানুষই জানতো না। একযুগ ধরে প্রায় সব বাড়িতে এখন কোরবানি দেয়া হয়। বাড়িতে বাড়িতে গোশত পাঠানোর প্রচলন খুবই কম ছিলো। অনেক বাড়িতে গোশত ড্রাই করে রাখার একটা প্রচলন ছিলো। পরিবেশটা বেশ নোংরাই হতো। মুসলমান এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে মিল থাকলেও কিন্তু কিছু জায়গায় একবার অমিল দেখা দিলো। কোরবানির সময় একজন হিন্দুকে মুসলমান পাড়ায় পাওয়া যেতো না। তখনকার সময় মানুষের ধন-সম্পদ তেমন ছিলো না। যারা একটু ধনী শ্রেণির মানুষ ছিলো, তারাই কোরবানি দেয়ার কাজটা করতেন। পরিচিতি : কথাসাহিত্যিক। মতামত গ্রহণ : ফাতেমা-তুজ-জোহরা।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]