• প্রচ্ছদ » » কার কয়টা জামা হবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতাম, শৈশবের ঈদগুলোই ছিলো শ্রেষ্ঠ


কার কয়টা জামা হবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতাম, শৈশবের ঈদগুলোই ছিলো শ্রেষ্ঠ

আমাদের নতুন সময় : 11/08/2019

ড. সাদেকা হালিম

আমার শৈশবের ঈদগুলোই ছিলো শ্রেষ্ঠ। কেননা তখন আমার বাবা বেঁচেছিলেন। এখন আমার বাবা বেঁচে নেই। বেঁচে নেই দাদা-দাদী, নানা-নানীর কেউ-ই। তারা যখন বেঁচে ছিলেন, সেসময় আমরা যে আদর-আহ্লাদ পেয়েছি, তা স্মৃতিতে ধরে রাখার মতো। তাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি তা অকল্পনীয়। আমরা অবশ্যই প্রতিযোগিতা করেছি, ঈদে আমাদের কার কয়টা জামা থাকবে ইত্যাদি নিয়ে। আমরা খুবই সাধারণ একটা জিনিসের মধ্যেও তৃপ্তি খুঁজে পেয়েছি। এখন মনে হয় ঈদ আসে আর যায়। কিন্তু এখনকার ঈদবাজার অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এখন আমরা দেখি কোরবানির ঈদে না হলেও রোজার বা ঈদুল ফিতরে পাখি ড্রেস পরছি, শাড়ি পরছি, লেহেঙ্গা পরছি। আগে ঈদের পোশাক-আশাকে আমাদের সমাজ-সংস্কৃতির বিষয়গুলো অনেক গুরুত্ব পেতো। সেখানে এখন গুরুত্ব পাচ্ছে ঈদুল আজহায় আমি কতো টাকায় গরু কিনলাম, পাশের বাসার লোকটা কতো টাকার গরু কিনলো, ওমুক-তমুকে কতো টাকার গরু কিনলো এসব। এটা এখন একটা গল্পের মতো বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে এসব ছিলো না। যারা হতদরিদ্র, গরিব মানুষ তাদের সঙ্গে নিয়ে আগেকার দিনে মানুষ ঈদের আনন্দ করতো। এখন সেটার কমতি রয়েছে। দরিদ্রকে সঙ্গে নয়, নিজে নিজেই ঈদ করছি। অপরকে দেখানোর জন্যও বড় গরুটি কিনছি! ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে ঈদগুলো পালন করা উচিত। পরিচিতি : সমাজবিজ্ঞানী। মতামত গ্রহণ : তানভীন ফাহাদ




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]