• প্রচ্ছদ » » ‘সেই’ দরিদ্র লোকটিকে মাংস খাওয়ালাম


‘সেই’ দরিদ্র লোকটিকে মাংস খাওয়ালাম

আমাদের নতুন সময় : 11/08/2019

রুহিন হোসেন প্রিন্স

আমার জন্ম গ্রামে হলেও ঈদ উদ্যাপন করতাম খুলনায়। আমার বাবা বিদ্যুৎ অফিসে চাকরি করতেন। আমরা একটা কোয়ার্টারে থাকতাম। শৈশবের অনেক ঘটনাই আছে। সেসব ঘটনা প্রায় মনে পড়ে। বিশেষ করে একটি ঘটনা খুব মনে পড়ে। ঘটনা হচ্ছে এমনÑ আমরা যে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তাম, সে মসজিদটি এলাকার কয়েকজন মিলে সাজাতাম। খুলনা অঞ্চলের একটা গাছ আছে, দেবদারু গাছ। সেই গাছ দিয়ে আমরা মসজিদের গেট সাজাতাম। স্কুল জীবনে এগুলো করতাম। আরেকটা ঘটনা আছে এখনো প্রায়ই মনে পড়ে। কোনো এক ঈদের দিন বাড়ির সবাই একসঙ্গে নামাজ পড়ে বাড়িতে ফিরে আসি এবং একসঙ্গে গল্প ও আড্ডা দিয়ে সময় পার করছিলাম। সেদিন আসরের ওয়াক্তে মসজিদে নামাজ পড়তে যাই। তখন প্রায় নিয়মিত নামাজ পড়তাম। আসরের ওয়াক্তে নামাজ শেষ হওয়ার পর মসজিদের অদূরে একজন মানুষ বমি করছেন। অনেক বমি। বমি করতে করতে হয়রান প্রায়। কেন এমনটি হচ্ছে তার কাছে জানতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু তাৎক্ষণিক কোনো উত্তর পেলাম না। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছিÑ ঈদের দিন তিনি অনেক মাছ খেয়েছিলেন। চিনি, সেমাই ও মাংস কিনে খাবার সামর্থ্য ছিলো না তার। কারণ তার আয় ছিলো খুবই কম। তিনি কোনো একটি প্রতিষ্ঠানে পিয়নের চাকরি করতেন। ঘটনার সবিস্তারে জানতে পেরে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম, সবাই মিলে কিছু চাঁদা সংগ্রহ করে ‘সেই’ দরিদ্র লোকটিকে সেমাই ও মাংস খাওয়ালাম। বন্ধুরা মিলে ঠিক করলাম, প্রতি ঈদে চাঁদা সংগ্রহ করে কিছু গরিব লোকের মাঝে সরবরাহ করবো। বিশেষ করে সেমাই, চিনি ও গোশত। সেটিই আমরা করতাম প্রতি ঈদে। পরিচিতি : সম্পাদক, সিপিবি। মতামত গ্রহণ : শরিফুল ইসলাম




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]