• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » আগস্টের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২৬০০০ জন ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৮৮০, এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৪৪ হাজারের বেশি


আগস্টের প্রথম ১৩ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ২৬০০০ জন ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১৮৮০, এ পর্যন্ত আক্রান্ত ৪৪ হাজারের বেশি

আমাদের নতুন সময় : 15/08/2019

তাপসী রাবেয়া : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হেলথ কন্ট্রোল রুমের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন ১৮৮০ জন রোগী। এর আগের দিন মঙ্গলবার যেখানে ১২০০ রোগী ভর্তি হয়েছিল সে সংখ্যা একদিনের ব্যবধানের বেড়েছে ৬৮০ জন।কন্ট্রোলরুমের হিসেব মতে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তিরোগীর সংখ্যা ৭,৮৬৯ জন। ঢাকার ৪০ টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৪,১৪৩ জন। অন্যান্য বিভাগে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৩,৭২৬ জন।মৃতের সংখ্যা ৪০ জন।তবে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে

গতকাল বুধবার পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও মাদারীপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে দুইজন। এদিকে গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে সেপ্টেম্বর মাসেই রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিলো। ২০১৮ সালে সে সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ১৪৮ জন। আর এবার জুলাইতেই সে সংখ্যা ১৬ হাজারেরও বেশি।বিগত বছরের হিসেবে ডেঙ্গুর পিকটাইম অপেক্ষা করছে সামনে।এদিকে ঈদের পরে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাই রোগীর চাপ সামলাতে অন্য হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক নার্স এনে ওই পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।
ঢামেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দীন জানান, এরই মধ্যে অতিরিক্ত নার্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ১৪ আগস্ট বুধবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কিছু চিকিৎসকও তাদের সঙ্গে যোগ দেন। গতকালই চালু হয়েছে শিশু আইসিইউ। ঢামেক কর্তৃপক্ষ বলছে রোগী ভর্তির সংখ্যা কম ছিলো কারণ অনেক মানুষই ঢাকায় অবস্থান করছিলেন না। তবে রোগী বাড়ার চাপ রয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পর প্রতিটি পরিবারকে নিজ ঘরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। সরকারের দেয়া তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে বাসায় ফিরেই সবার একসঙ্গে ঘরে ঢোকা উচিত হবে না। নির্দেশনা উল্লেখ করে বলা হয়েছে একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তি ঘরের মূল দরজা খুলে ঘরে ঢুকবেন এবং দরজা জানালা বন্ধ অবস্থায় ঘরের আনাচে কানাচে, পর্দার পেছনে, খাটের নীচে স্প্রে করবেন। কোনভাবেই ঘরে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং গর্ভবতী মহিলাদের প্রথমে ঘরে ঢুকতে দেবেন না।
মশার স্প্রে ব্যবহারের পর প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ঘর থেকে বেরিয়ে যাবেন ও আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন। আধা ঘণ্টা পর আবার ঘরে ঢুকে সকল দরজা জানালা খুলে দিবেন। কমোড ফ্ল্যাশ করবেন, বেসিনের কল ছেড়ে দেবেন।এরপর সবাই ঘরে ঢুকবেন। যাদের বাড়িতে মশা নিধনের স্প্রে নাই তাদেরকে বলা হয়েছে সবাই একসঙ্গে ঘরে না ঢুকে প্রথমে একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তি ঢুকে সকল দরজা জানালা খুলে দেবেন। ঘরের সব ফ্যান ছেড়ে দেবেন কমোড ফ্ল্যাশ করবেন, বেসিনের কল ছেড়ে দেবেন ।আর অবশ্যই রাতে মশারি খাটিয়ে ঘুমাতে যাবেন। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]