পশ্চিবঙ্গের মানুষের কাছে সিপিআইএম-এর অবস্থান কী?

আমাদের নতুন সময় : 16/08/2019

অনিন্দ্র মাঝি, কলকাতা : ছোটবেলায় আমি পিকক রিডার্স পড়েছি ক্লাস ওয়ান থেকে। হাওড়ার শিবপুরের শিশুতীর্থ স্কুলে তখন প্রতিদিন একপিস করে পাউরুটি দিতো। পরে দেখলাম, এই বাংলারই কিছু রাজনীতিবিদের বদান্যতায়, ওয়ান থেকে ইংরেজি তুলে দিয়ে ক্লাস সিক্স থেকে ইংরেজি করা হলো। কাদের স্বার্থে করা হয়েছিলো, সে প্রশ্নের জবাব তৎকালীন সিপিএম সরকার কখনো দেয়নি! একটা প্রজন্মকে মূলধারার উল্টোদিকে হাঁটতে বাধ্য করে জীবন-জীবিকার প্রশ্নে পিছিয়ে দেয়ার অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছিলো। যখন প্রতিটি রাজ্যে কম্পিউটার ঢুকছে, মানুষ শেখার চেষ্টা করছে, তখন শ্রমজীবী মানুষ কাজ হারাবে, এই ধুয়ো তুলে দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে কম্পিউটার শিক্ষার প্রসার আটকে রাখা হয়েছিলেঅ। কেন এবং কোন যুক্তিতে? তার উত্তর কোনো সিপিআইএম নেতা দেননি!

লেনিনকে খায় না মাথায় দেয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তা জানে না। মাওকে নিয়ে এতো উদ্দীপনার ভেতর পশ্চিমবঙ্গের কোন স্বার্থ চরিতার্থ হয়েছিলো, তাও জানা  নেই তাও পশ্চিবঙ্গবাসীর।

কিন্তু এটা পরিষ্কার, মানুষের হিতের জন্য যে সব কাজের কথা বলে সিপিআইএম বাহবা নেবার জন্য দৌড়ে বেড়ায়, তার বেশিরভাগটাই ভুয়া।

আজ যখন সেই সিপিআইএমই প্রমাণ করার মরিয়া চেষ্টা করেন, দেখো আমরা কতো সৎ, কতো নিরপেক্ষ, তখন শুনে সকলে হাসে।

বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের শতকরা তিরানব্বই জন মানুষ এখন এই সমস্ত সিপিআইএম নেতাদের গালি দেয়। তার কারণ ব্যক্তি মানুষ হিসেবে তারা সৎ হলেও যখনই সিপিআইএম আর নিজের নাম সমার্থক হয়ে যায়, তখনই গালিগুলো আপনাআপনি মুখ ফস্কে বেরিয়ে আসে। আর এটাই হয়তো তাদের ভবিতব্য।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]