• প্রচ্ছদ » প্রথম পাতা » সারাদেশে থেমে থেমে বৃষ্টি এডিসের লার্ভা দ্রুত মশায় পরিণত হবে, মশা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছনতায় ছাড় দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে, বললেন বিশেষজ্ঞরা


সারাদেশে থেমে থেমে বৃষ্টি এডিসের লার্ভা দ্রুত মশায় পরিণত হবে, মশা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছনতায় ছাড় দিলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে, বললেন বিশেষজ্ঞরা

আমাদের নতুন সময় : 16/08/2019

তাপসী রাবেয়া : ঈদের দিন থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি এভাবে বৃষ্টি হলে তা দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য ক্ষতিকর হবে বলে মনে করছেন কীটতত্ত্ববিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন মুষলধারে বৃষ্টি হলে জমে থাকা লার্ভা ধুয়ে মুছে যেতো। কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছে থেমে থেমে। যেখানে বৃষ্টির পানি জমা হবে সেসব জায়গায় থাকা এডিস মশার ডিম ফুটে বের হওয়া লার্ভা দ্রুত পরিণত হয়ে মশায় রূপান্তরিত হবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে হলে সিটি করপোরেশনসহ প্রত্যেককে তার নিজের কাজ করতে হবে,প্রত্যেক নাগরিককে সচেতন হতে হবে নিজের বাড়ির বিষয়ে। কিন্তু ঢিলে-ঢালা কাজ করলে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে সেটা বলা যাচ্ছে না।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ^বিদ্যালয়ের অধ্যাপক মশা গবেষক কবিরুল বাশার বলেন, প্রকৃতি দয়া না করলে এই বৃষ্টি আমাদের জন্য ক্ষতিকর। মুষলধারে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশের জন্য সুখবর বলা যেতো। তবে এই বৃষ্টি আশংকা তৈরি করছে আবারও এডিসের আক্রমণ বাড়ানোর জন্য।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতেই জুলাই থেকে আগষ্ট মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানেই বেড়েছে ১০ হাজার রোগী। গত জুলাই মাসে মোট রোগীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ২৫৩ জন আর গতকাল ( ১৫ আগস্ট) অর্থাৎ চলতি মাসের ১৫ দিনেই প্রায় ১০ হাজার বেড়ে সে সংখ্যা হয়েছে ২৭ হাজার ৮৯০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা বলেন, গত বছরে দেশে ডেঙ্গু রোগের পিক টাইম ছিল সেপ্টেম্বরে। আমি এখনও তাই এ বিষয়ে দৃঢ়ভাবে কোনও মন্তব্য করতে পারছি না যে এটা বাড়বে না কমবে।সবকিছু নির্ভর করছে আসলে যেসব জায়গায় মশা উৎপন্ন হচ্ছে সেসব জায়গাগুলোতে যদি সাঁড়াশি অভিযান চালানো যায় তাহলেই এটা কমার সম্ভবনা আছে, কিন্তু ঢিলে-ঢালা ভাবে কাজ করলে ডেঙ্গু কোনদিকে যাবে সেটা বলা যায় না।
এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত এ প্রতিবেদককে বলেন, থেমে থেমে বৃষ্টি এডিস মশা ও ডেঙ্গুর জন্য রিস্ক তৈরি করে।এই ধরণের বৃষ্টি হলে পানি জমবে আবার ঢাকা শহরের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রীর বেশি থাকে যা এডিস মশার প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ফলে বৃষ্টি চলাকালীন জমা পানির উৎস ধ্বংস করতে হবে। আর হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারি পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার বলেন,আগামী ১০দিন পর্যবেক্ষণ করে হয়তো বলা সম্ভব হবে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কোন পর্যায়ে দাঁড়াবে।সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান

১৩২৭, তেজগাঁও শিল্প এলাকা (তৃতীয় তলা) ঢাকা ১২০৮, বাংলাদেশ। ( প্রগতির মোড় থেকে উত্তর দিকে)
ই- মেইল : [email protected]