আগাম বন্যা প্রতিরোধে আসছে ১১৯ কোটি টাকার প্রকল্প

আমাদের নতুন সময় : 19/08/2019

মো. আখতারুজ্জামান : আগাম বন্যা প্রতিরোধে নতুন প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে পরিকল্পনা কমিশন। প্রকল্পের আওতায় রয়েছে পশ্চিম গোপালগঞ্জ সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা ও মাদারীপুর বিলরুট (এমবিআর) চ্যানেল ও মধুমতি নদীর তীর সংরক্ষণ। প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা ১১৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা যায়, পশ্চিম গোপালগঞ্জ সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা (দ্বিতীয় পর্যায়) বাস্তবায়িত হলে লবণাক্ত পানি প্রবেশ রোধে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, নিষ্কাশন ও সেচ সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পটির ওপর ২০১৮ সালের ২২ নভেম্বর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পর্যালোচনা হয়। ওই সভায় প্রকল্পটিতে কিছু সংশোধনী প্রস্তাব করা দেয়া হয়। সেই আলোকে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) পুর্নগঠন করা হয়েছে। প্রকল্পটি আগামী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপিত হতে পারে। একনেক-এ অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২১ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
অন্যদিকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রকল্পটি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা, কাশিয়ানী উপজেলা এবং মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত। প্রকল্প এলাকা মধুমতি নদী, মাদারীপুর বিল রুট চ্যানেল এবং কুমার নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। প্রকল্পের দক্ষিণ ও পশ্চিমে মধুমতি নদী, পূর্ব ও উত্তরে মাদারীপুর বিল রুট চ্যানেল এবং কুমার নদী। গড়াই নদী বড়দিয়া নামক স্থানে দু’টি ¯্রােত ধারায় বিভক্ত হয়ে একটি নবগঙ্গা এবং অন্যটি মধুমতি নদী নামে পরিচিত হয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে নদীতে উজানের প্রবাহ না থাকায় ভাটি হতে জোয়ারের সময় লবণাক্ত পানি প্রকল্প এলাকায় প্রবেশ করে।
কুমার নদী ফরিদপুরের কাছে পদ্মা নদীর শাখা নদী হিসেবে উৎপত্তি হয়ে ফরিদপুর সদর, নগর কান্দা, ভাংগা ও মুকসুদপুর উপজেলার ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে সিন্দিয়া ঘাট এলাকায় মাদরীপুর বিল রুট চ্যানেলের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। মাদারীপুর বিল রুট চ্যানেলটি নৌচলাচল সুবিধার জন্য বৃটিশ শাসন আমলে খনন করা হয়, যা আড়িয়াল খাঁ নদী এবং মধুমতি নদীর সংযোগ করেছে।
এ এলাকাটি নিম্নাঞ্চল হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে থাকে। ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাবে সেচ কাজ ব্যহত হয়। অন্যদিকে, এমবিআর চ্যানেল দ্বারা লবণাক্ত পানি প্রবেশের ফলে উঠতি ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, ৩ দশমিক ১৭৫ কিলোমিটার নদী তীর সংরক্ষণ, ৯৮ কিলোমিটার নদী খাল পুনঃখনন ও রাস্তা নির্মাণ, ১৩ কিলোমিটার ডুবন্ত বাঁধ সংস্করণ। ২ কিলেমিটার মুকসুদপুর বাওড় খনন এবং একটি আবাসিক ভবন নির্মাণ করা হবে। সম্পাদনা : সমর চক্রবর্তী




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]