গণপিটুনি ঠেকাতে নতুন আইন করছে পশ্চিমবঙ্গ

আমাদের নতুন সময় : 19/08/2019

আসিফুজ্জামান পৃথিল : ভারতের সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা রয়েছে দেশটিতে গণপিটুনি ঠেকাতেই হবে। তবে এ বিষয়ে পুলিশি নির্দেশনা থাকলেও নেই কোনো সুস্পষ্ট আইন। সে কারণে গণধোলাই ঠেকাতে পৃথক আইন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার। আগামী ২৬ আগস্ট থেকে বিধানসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। সব ঠিকঠাক থাকলে, সেই অধিবেশনে বিলটি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আনন্দবাজার. দ্য টেলিগ্রাফ
গণধোলাই সংক্রান্ত মামলায় ভারতের সবক’টি রাজ্যকে সুসংহত পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং সে বিষয়ে রিপোর্ট দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০১৮ সালের ওই নির্দেশের পর পুলিশকে একগুচ্ছ করণীয় স্থির করে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। গত বছর ওই নির্দেশিকা কার্যকর হলেও মূল সমস্যা দেখা দেয় আইনি পদক্ষেপের প্রশ্নে। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ব্যাখ্যা, আলাদা করে গণধোলাই বা গণধোলাইয়ে মৃত্যুতে (লিঞ্চিং) সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান ভারতীয় দ-বিধিতে সে ভাবে নেই। সে কারণে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরে রাজস্থান সরকার পৃথক আইন করেছে। সে পথ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। বর্তমানে এ ধরনের ঘটনায় ক্ষেত্রবিশেষে আইপিসি-র ৩০২ (খুন) বা ৩০৪ নম্বর ধারায় (অনিচ্ছাকৃত খুন) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
রাজস্থানের নতুন আইনে গণপিটুনিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদ- এবং সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানার ব্যবস্থা রয়েছে। গণধোলাইয়ে আক্রান্ত ব্যক্তি গুরুতর আহত হলে অভিযুক্তের ১০ বছরের কারাদ- এবং তিন লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা, আক্রান্ত অল্প আহত হলে অভিযুক্তের সাত বছরের কারাদ- এবং এক লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানার ব্যবস্থা রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের একাংশের ধারণা, পশ্চিমবঙ্গের নতুন আইনেও প্রায় একই ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হতে পারে। সম্পাদনা : ইকবাল খান




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]