• প্রচ্ছদ » » চামড়া রপ্তানির বিরুদ্ধে আমরা, দেশের কাঁচামাল দিয়ে দেশীয় শিল্পই বিকশিত হোক, কর্মসংস্থান বাড়ুক


চামড়া রপ্তানির বিরুদ্ধে আমরা, দেশের কাঁচামাল দিয়ে দেশীয় শিল্পই বিকশিত হোক, কর্মসংস্থান বাড়ুক

আমাদের নতুন সময় : 19/08/2019

ফিরোজ আহমেদ

আমরা সকলেই চাই ট্যানারি শিল্প নদী দূষণ না করে, কাউকে না ঠকিয়ে আরও সমৃদ্ধি লাভ করুক। কিন্তু গণমাধ্যম থেকে চামড়া বিষয়ে সত্যি কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর পাইনি। প্রথমত, আড়তদারদের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বাকি রেখেছেন ট্যানারি মালিকরা, এই প্রশ্নটির উত্তর কী। কেননা আপাতদৃষ্টে এটিই এবারের ধসের অজুহাত হিসেবে বলছেন আড়তদারেরা। দ্বিতীয় যে গুরুতর প্রশ্নটি আসে, সেটি হলো দাম নির্ধারণের বিরুদ্ধে আড়তদার আর ট্যানারি মালিকদের সম্মিলিত প্রতিরোধ, যেন সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত না করে তাদের শিল্প কিংবা আড়তদারি টিকতেই পারবে না! কিন্তু সবচেয়ে গুরুতর প্রশ্ন হলো এই : ট্যানারি মালিকরা এমন একটি নীতি গ্রহণ করেছেন, যেখানে এই শিল্পের প্রধানতম কাঁচামাল পশু চামড়াকে প্রায় ফেলে দেয়া বস্তু হিসেবে গণ্য করতে বাধ্য করা হচ্ছে পশুর মালিককে। এর ফলে বেশিরভাগ চামড়া নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, একজন ট্যানারি মালিক পত্রিকাতে সাক্ষাৎকার দিয়ে বলেছেন, মাংসের দাম চামড়ার দামের চেয়ে বেশি বলে কসাইরা চামড়া খুব পাতলা করে কাটছে, সেই চামড়া আর কোনো কাজে লাগছে না। আমরা কিন্তু উল্টো দিকে দেখতে পাচ্ছি, এই বিপুল চামড়া নষ্ট হবার সূত্রে অতি সস্তায় বাকি চামড়াটা পেয়ে যাচ্ছেন ট্যানারি ব্যাবসায়ীরা।
চামড়া রপ্তানির বিরুদ্ধে আমরা। দেশের কাঁচামাল দিয়ে দেশীয় শিল্পই বিকশিত হোক, কর্মসংস্থান বাড়ুক। কিন্তু অর্ধেক চামড়া নষ্ট করে কাঁচামালের দাম কমানো, এই নীতি আত্মঘাতী এবং উদ্যোক্তাদের দূরদর্শিতাহীন স্বল্পদৃষ্টির নিন্দা না করে পারা যায় না। উপরন্তু প্রতিটা চামড়ার অপচয় মানে তাকে নির্মাণ করতে ব্যয় হওয়া প্রাকৃতিক সম্পদগুলোর অপচয়, শ্রম, জ্বালানি, পানি, মাটি, পুষ্টি, বাতাসের অচপয়। এই অপচয় হতে দেয়া যায় না। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]