• প্রচ্ছদ » » বঙ্গবন্ধু হত্যা, বারো ঘাতকের দূতাবাসে চাকরি এবং উর্দি শাসক জিয়াউর রহমান


বঙ্গবন্ধু হত্যা, বারো ঘাতকের দূতাবাসে চাকরি এবং উর্দি শাসক জিয়াউর রহমান

আমাদের নতুন সময় : 19/08/2019

হাসান শান্তনু

বঙ্গবন্ধুর ঘাতকরা রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত হওয়ার প্রথম চিঠি বিদেশে ওদের কাছে সশরীরে হাজির হয়ে পৌঁছে দেন ওই সময়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা শমসের মবিন চৌধুরী। পরে তিনি বিএনপির কৃপায় পররাষ্ট্র সচিব হয়ে একপর্যায়ে দলটির নেতাও হন। এখন তিনি বিএনপিতে নেই। জাতির জনকের পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যসহ হত্যাকারীদের পুরস্কার হিসেবে বিভিন্ন দেশে ক‚টনীতিকের চাকরি দেন উর্দি শাসক জিয়াউর রহমান। জিয়ার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের প্রথম দিকের ন্যক্কারজনক ঘটনা এটা। বিদেশে অবস্থিত দেশের দূতাবাসে নরঘাতকদের চাকরির সেই চিঠি লিবিয়ায় গিয়ে তখন পৌঁছে দেন সমসের মবিন।বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকারীদের মধ্যে বারোজন দূতাবাসে চাকরি শুরু করলেও প্রধান দুই নরঘাতক কর্নেল ফারুক ও কর্নেল রশিদ চাকরি নেননি। তারা পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মধ্যস্থতায় লিবিয়ার তখনকার বর্বর প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফির সহায়তায় কথিত ‘মুক্তির পথ’ বাস্তবায়ন করে বাংলাদেশকে ফের পাকিস্তানের প্রদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যেতে থাকে। ওই সময়ই লিবিয়ায় নেয়া হয় এ দেশের কয়েকশ যুবককে। ওদেরকে গাদ্দাফির সরকারের সহায়তায় সশস্ত্র জঙ্গি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পিস্তল, মেশিনগান, গ্রেনেড-বোমা নিক্ষেপ ইত্যাদির প্রশিক্ষণ নিয়ে ওরা দেশে ফিরে। জিয়ার সরকার, পরে স্বৈরাচারী এরশাদ ও খালেদার সরকার এসব প্রশিক্ষিত দানবকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়। বঙ্গবন্ধুর তনয়া শেখ হাসিনাকে কয়েকবার হত্যার চেষ্টাও করে টুপিওয়ালা গাদ্দার গাদ্দাফির প্রশিক্ষিত ক্যাডাররা। কারা সেদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছিলো আইএসআইয়ের সহায়তায় লিবিয়া থেকে? তারা এখন কোন কোন সংগঠন ও দল করছে? তাদের পরিচয় জানতে কোনো সরকারই তদন্ত করেনি। তদন্ত না হওয়ার বিষয়টি প্রখ্যাত সাংবাদিক, দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক, শ্রদ্ধাভাজন মতিউর রহমানের কয়েক বছর আগের লেখা এক মতামত থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়। অভিযোগ আছে, তারা বিএনপি-জামায়াতে মিশে আছে। শমসের মবিন চৌধুরী এখন বিএনপিতে নেই। তিনিও বলতে পারেন, কারা সেদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছিলো? পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও জিয়ার সরকারের আস্থাভাজন হওয়ায় এ বিষয়ে অনেক কিছু তার জানা থাকার কথা। তিনি কী এ বিষয়ে নিজের ঠোঁট নাড়াবেন? সরকারের উচিত, বিষয়গুলোর এবার অন্তত তদন্ত করা। ফেসবুক থেকে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক ঃ নাঈমুল ইসলাম খান
বার্তা ও বাণিজ্য বিভাগ ঃ ১৯/৩ বীর উত্তম কাজী নুরুজ্জামান সড়ক , পশ্চিম পান্থপথ, ঢাকা থেকে প্রকাশিত
ছাপাখানা ঃ কাগজ প্রেস ২২/এ কুনিপাড়া তেজগাঁও শিল্প এলাকা ,ঢাকা -১২০৮
ই- মেইল : [email protected]